চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসেন হত্যা মামলার এক সন্দেহভাজন আসামিকে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম মোঃ ইসমাইল (২৬)। তাকে সাতকানিয়া থানাধীন কেরানীহাট এলাকা থেকে আটক করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, নিহত শাহাদাত হোসেন সাতকানিয়া থানার মাইজপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি সাতকানিয়া রাস্তার মাথার দক্ষিণ পাশে ‘কুলিং কর্নার’ নামে একটি দোকান পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এজাহারভুক্ত আসামিদের সঙ্গে তার পূর্ব পরিচয় ছিল এবং তারা একসঙ্গে চলাফেরা করতেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, আসামিরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং একাধিক মামলার আসামি। এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় নিহত শাহাদাতের সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। কিছুদিন আগে এক আসামি ‘পিচ্ছি কামাল’ মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হলে, ওই মামলায় শাহাদাত সহযোগিতা করেছেন বলে তাকে দোষারোপ করা হয়। পরে জামিনে বের হয়ে তাকে হুমকিও দেওয়া হয়।
ঘটনার দিন ২৬ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে শাহাদাত তার দোকানের সামনে বসে ছিলেন। এ সময় এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি পূর্বপরিকল্পিতভাবে লোহার রড, হকি স্টিক, লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ এপ্রিল তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় ৯ জন নামীয় ও ৮ থেকে ১০ জন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ২৮ এপ্রিল দায়ের করা হয়। মামলার ধারা ৩০২/৩৪, পেনাল কোড ১৮৬০।
র্যাব-৭ জানায়, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে নজরদারির একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সন্দেহভাজন আসামি ইসমাইল সাতকানিয়া এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে ২৮ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে কেরানীহাট আল আকসা হোটেলের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতকানিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম মোঃ ইসমাইল (২৬)। তাকে সাতকানিয়া থানাধীন কেরানীহাট এলাকা থেকে আটক করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, নিহত শাহাদাত হোসেন সাতকানিয়া থানার মাইজপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি সাতকানিয়া রাস্তার মাথার দক্ষিণ পাশে ‘কুলিং কর্নার’ নামে একটি দোকান পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এজাহারভুক্ত আসামিদের সঙ্গে তার পূর্ব পরিচয় ছিল এবং তারা একসঙ্গে চলাফেরা করতেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, আসামিরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং একাধিক মামলার আসামি। এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় নিহত শাহাদাতের সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। কিছুদিন আগে এক আসামি ‘পিচ্ছি কামাল’ মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হলে, ওই মামলায় শাহাদাত সহযোগিতা করেছেন বলে তাকে দোষারোপ করা হয়। পরে জামিনে বের হয়ে তাকে হুমকিও দেওয়া হয়।
ঘটনার দিন ২৬ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে শাহাদাত তার দোকানের সামনে বসে ছিলেন। এ সময় এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি পূর্বপরিকল্পিতভাবে লোহার রড, হকি স্টিক, লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ এপ্রিল তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় ৯ জন নামীয় ও ৮ থেকে ১০ জন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ২৮ এপ্রিল দায়ের করা হয়। মামলার ধারা ৩০২/৩৪, পেনাল কোড ১৮৬০।
র্যাব-৭ জানায়, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে নজরদারির একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সন্দেহভাজন আসামি ইসমাইল সাতকানিয়া এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে ২৮ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে কেরানীহাট আল আকসা হোটেলের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতকানিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।