বিকল্প জ্বালানির উৎস খুঁজে বের করে তা ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) রুয়েটের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত পিএসআরইএফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এনার্জি চ্যালেঞ্জ, ডিজাইনিং এ গ্রিন ট্রানজিশন শীর্ষক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), ইন্সটিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ (আইইইএস) এবং রুয়েট।
উপাচার্য বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দেশের উন্নয়নের প্রধান চালিকা শক্তি। একটি দেশের বাস্তব উন্নয়ন নির্ধারণে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক। যেসব দেশ প্রযুক্তি, শিক্ষা ও গবেষণায় উন্নত, সেসব দেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার তুলনামূলক বেশি।
তিনি আরও বলেন, গবেষণার মাধ্যমে জ্বালানির নতুন ও টেকসই উৎস আবিষ্কার করে তা জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে তরুণ প্রকৌশলীদের উদ্ভাবনী চিন্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইইএসের পরিচালক ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম।
প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি দল নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারভিত্তিক উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। এতে এভার ফ্রেশ দল চ্যাম্পিয়ন হয়। অপচয়-জিরো প্রথম রানারআপ এবং গ্রিনারি গ্রিড দ্বিতীয় রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুজ্জামান, সিপিডির রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মোঃ মেহেদি হাসান শামিম, রুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) রুয়েটের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত পিএসআরইএফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এনার্জি চ্যালেঞ্জ, ডিজাইনিং এ গ্রিন ট্রানজিশন শীর্ষক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), ইন্সটিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ (আইইইএস) এবং রুয়েট।
উপাচার্য বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দেশের উন্নয়নের প্রধান চালিকা শক্তি। একটি দেশের বাস্তব উন্নয়ন নির্ধারণে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক। যেসব দেশ প্রযুক্তি, শিক্ষা ও গবেষণায় উন্নত, সেসব দেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার তুলনামূলক বেশি।
তিনি আরও বলেন, গবেষণার মাধ্যমে জ্বালানির নতুন ও টেকসই উৎস আবিষ্কার করে তা জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে তরুণ প্রকৌশলীদের উদ্ভাবনী চিন্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইইএসের পরিচালক ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম।
প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি দল নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারভিত্তিক উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। এতে এভার ফ্রেশ দল চ্যাম্পিয়ন হয়। অপচয়-জিরো প্রথম রানারআপ এবং গ্রিনারি গ্রিড দ্বিতীয় রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুজ্জামান, সিপিডির রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মোঃ মেহেদি হাসান শামিম, রুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।