কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার জয়মনিরহাট ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও প্রবাসফেরত চিকিৎসকের বাড়িতে রাতের অন্ধকারে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে নগদ টাকা, সোনার গহনাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করার পর আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
এর আগে রোববার ভোররাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার জয়মনিরহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ শিংঝাড় গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসফেরত চিকিৎসক ও ইউনিয়নটির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. রোকনুজ্জামান কিরণের বাড়িতে প্রথমে লুটপাট ও পরে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
জানা গেছে, ডা. কিরণ দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর নিজ গ্রামে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। সেই বাড়িতে থেকে নিজেকে সমাজসেবায় যুক্ত করেছেন। ইতোমধ্যে নিজ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা করবেন বলে ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। তখন থেকেই তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সৃষ্টি হয় এবং তার ক্ষতির প্রচেষ্টা চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাড়ির কেয়ারটেকার আলেফ উদ্দিন বলেন, রাত ১২টার দিকে আমি ওই বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে চলে যাই। সকাল ৯টার দিকে ধান মাড়াই করতে আসা শ্রমিকরা আগুন লাগার বিষয়টি টের পান। তখনও ঘরের ভেতরে আসবাবপত্রে আগুন জ্বলছিল। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় জানালার গ্লাস ভেঙে আগুন নেভানো হয়।
ডা. রোকনুজ্জামান কিরণ বলেন, রোববার বাড়িতে কেউ ছিল না। পারিবারিক কাজে আমরা সবাই রংপুরে ছিলাম। রাতে দুষ্কৃতকারীরা বাড়ি থেকে মূল্যবান বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। এছাড়া দুষ্কৃতকারীদের লাগিয়ে দেওয়া আগুনে বাড়ির বিভিন্ন মালামাল, দলিলপত্র ও দেশি-বিদেশি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, আগুন লাগার কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
এর আগে রোববার ভোররাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার জয়মনিরহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ শিংঝাড় গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসফেরত চিকিৎসক ও ইউনিয়নটির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. রোকনুজ্জামান কিরণের বাড়িতে প্রথমে লুটপাট ও পরে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
জানা গেছে, ডা. কিরণ দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর নিজ গ্রামে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। সেই বাড়িতে থেকে নিজেকে সমাজসেবায় যুক্ত করেছেন। ইতোমধ্যে নিজ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা করবেন বলে ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। তখন থেকেই তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সৃষ্টি হয় এবং তার ক্ষতির প্রচেষ্টা চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাড়ির কেয়ারটেকার আলেফ উদ্দিন বলেন, রাত ১২টার দিকে আমি ওই বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে চলে যাই। সকাল ৯টার দিকে ধান মাড়াই করতে আসা শ্রমিকরা আগুন লাগার বিষয়টি টের পান। তখনও ঘরের ভেতরে আসবাবপত্রে আগুন জ্বলছিল। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় জানালার গ্লাস ভেঙে আগুন নেভানো হয়।
ডা. রোকনুজ্জামান কিরণ বলেন, রোববার বাড়িতে কেউ ছিল না। পারিবারিক কাজে আমরা সবাই রংপুরে ছিলাম। রাতে দুষ্কৃতকারীরা বাড়ি থেকে মূল্যবান বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। এছাড়া দুষ্কৃতকারীদের লাগিয়ে দেওয়া আগুনে বাড়ির বিভিন্ন মালামাল, দলিলপত্র ও দেশি-বিদেশি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, আগুন লাগার কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।