চলনবিলে বোরো ধান কাটার অবসরে চাউল-পানি খেয়ে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৮জন ধান কাটা শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ২নং ডাহিয়া ইউনিয়নের গাড়াবাড়ি গ্রামে এমন ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শ্রমিকরা হলেন, মোঃ আনোয়ার (৩০), মোঃ আজাদ (৪০), মোঃ রমিজুল (৩৮), মোঃ ইয়াসিন (২৫), মোঃ ইউসুফ (২৬), মোঃ হাসেম (৪০), মোঃ মনির (২৫) ও আবু বক্কর ছিদ্দিক (২৬)। তাদের সকলের বাড়ি গাড়াবাড়ি গ্রামে।
ভুক্তভোগী শ্রমিকরা বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, চলনবিল এলাকায় ধান কাটার কাজে নিয়োজিত ওই শ্রমিকরা দুপুরের বিরতিতে জমির মালিকের দেওয়া চাল ও পানি পান করেন। এর কিছুক্ষণ পরই একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন অন্তত ৮ জন শ্রমিক। তাদের মধ্যে বমি, মাথা ঘোরা ও শারীরিক দুর্বলতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মুজাহিদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে এটি খাবারে বিষক্রিয়ার ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, অধিকাংশই এখন শঙ্কামুক্ত।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খাবারে কীভাবে বিষাক্ত পদার্থ মিশলো তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ২নং ডাহিয়া ইউনিয়নের গাড়াবাড়ি গ্রামে এমন ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শ্রমিকরা হলেন, মোঃ আনোয়ার (৩০), মোঃ আজাদ (৪০), মোঃ রমিজুল (৩৮), মোঃ ইয়াসিন (২৫), মোঃ ইউসুফ (২৬), মোঃ হাসেম (৪০), মোঃ মনির (২৫) ও আবু বক্কর ছিদ্দিক (২৬)। তাদের সকলের বাড়ি গাড়াবাড়ি গ্রামে।
ভুক্তভোগী শ্রমিকরা বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, চলনবিল এলাকায় ধান কাটার কাজে নিয়োজিত ওই শ্রমিকরা দুপুরের বিরতিতে জমির মালিকের দেওয়া চাল ও পানি পান করেন। এর কিছুক্ষণ পরই একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন অন্তত ৮ জন শ্রমিক। তাদের মধ্যে বমি, মাথা ঘোরা ও শারীরিক দুর্বলতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মুজাহিদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে এটি খাবারে বিষক্রিয়ার ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, অধিকাংশই এখন শঙ্কামুক্ত।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খাবারে কীভাবে বিষাক্ত পদার্থ মিশলো তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।