সারাদেশের মতো রাজশাহীতেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল, সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ।
দিনটি উপলক্ষে সকাল আটটায় রাজশাহী জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এ. এইচ. এম. মাহমুদুর রহমান। পরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় আদালত চত্বরে এসে শেষ হয়।
র্যালি শেষে একই স্থানে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ও লিগ্যাল এইড মেলার উদ্বোধন করা হয়| এরপর সকাল নয়টায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এ. এইচ. এম. মাহমুদুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ। এছাড়া রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ নাজমুল ইসলাম, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল মালেক এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।
আলোচনায় বক্তারা বিচারপ্রার্থীদের জন্য লিগ্যাল এইড সেবার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এ ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এ. এইচ. এম. মাহমুদুর রহমান জানান, গত এক বছরে লিগ্যাল এইডের আওতায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ টাকা আদায় করে অসহায় ও দরিদ্র বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। তিনি এ সেবায় নিয়োজিত আইনজীবীদের ধন্যবাদ জানান এবং সীমিত সরকারি বরাদ্দের বিষয়টি উল্লেখ করে সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ বলেন, লিগ্যাল এইড রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা খাত| অনেকেই পুলিশের কাছে বা আদালতে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন, যা থেকে বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অনাস্থা ˆতরি হয়েছে| এই অনাস্থা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিচারক, আইনজীবী, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, উপকারভোগী এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন| শেষে সেরা প্যানেল আইনজীবীদের হাতে ক্রেস্ট ও চেক তুলে দেওয়া হয়।
লিগ্যাল এইড অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ পঞ্জিকাবর্ষে রাজশাহীতে ৭০১টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদনের মধ্যে ৬২১টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১ কোটি ১১ লাখ ৮৬ হাজার ১১৬ টাকা আদায় করে বিচারপ্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ৯১৯ জনকে আইনি পরামর্শ প্রদান করা হয়। এছাড়া ১ হাজার ৩৫টি মামলা দায়ের এবং ৩৫৪টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল, সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ।
দিনটি উপলক্ষে সকাল আটটায় রাজশাহী জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এ. এইচ. এম. মাহমুদুর রহমান। পরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় আদালত চত্বরে এসে শেষ হয়।
র্যালি শেষে একই স্থানে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ও লিগ্যাল এইড মেলার উদ্বোধন করা হয়| এরপর সকাল নয়টায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এ. এইচ. এম. মাহমুদুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ। এছাড়া রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ নাজমুল ইসলাম, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল মালেক এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।
আলোচনায় বক্তারা বিচারপ্রার্থীদের জন্য লিগ্যাল এইড সেবার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এ ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এ. এইচ. এম. মাহমুদুর রহমান জানান, গত এক বছরে লিগ্যাল এইডের আওতায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ টাকা আদায় করে অসহায় ও দরিদ্র বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। তিনি এ সেবায় নিয়োজিত আইনজীবীদের ধন্যবাদ জানান এবং সীমিত সরকারি বরাদ্দের বিষয়টি উল্লেখ করে সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ বলেন, লিগ্যাল এইড রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা খাত| অনেকেই পুলিশের কাছে বা আদালতে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন, যা থেকে বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অনাস্থা ˆতরি হয়েছে| এই অনাস্থা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিচারক, আইনজীবী, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, উপকারভোগী এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন| শেষে সেরা প্যানেল আইনজীবীদের হাতে ক্রেস্ট ও চেক তুলে দেওয়া হয়।
লিগ্যাল এইড অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ পঞ্জিকাবর্ষে রাজশাহীতে ৭০১টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদনের মধ্যে ৬২১টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১ কোটি ১১ লাখ ৮৬ হাজার ১১৬ টাকা আদায় করে বিচারপ্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ৯১৯ জনকে আইনি পরামর্শ প্রদান করা হয়। এছাড়া ১ হাজার ৩৫টি মামলা দায়ের এবং ৩৫৪টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।