রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে র্যাব-৫ এর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৫৭২ লিটার অবৈধভাবে মজুদ করা জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) গোদাগাড়ী থানার নাজিরপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায় র্যাব-৫, রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, নাজিরপুর এলাকার মোঃ রাসেল হোসেনের বসতবাড়ি ও আশপাশে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ রাখা হয়েছে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশিকালে ৫৫০ লিটার ডিজেল ও ২২ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা তেল ভ্রাম্যমাণ আদালত স্থানীয় ডিলারের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা নেয় এবং বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে একই দিনে নাজিরপুর ছয়হাটি বাজারে মেসার্স রবিউল ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়| সেখানে প্রায় ৩৫০ লিটার ডিজেলের মজুদ পাওয়া যায়। এ সময় দোকান মালিক জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দেখান।
আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগের সময় তিনি লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করেছেন বলে দাবি করেন। তার বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মঙ্গলবার গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
র্যাব জানিয়েছে, অবৈধ মজুদ, কালোবাজারি ও জ্বালানি তেলের অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) গোদাগাড়ী থানার নাজিরপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায় র্যাব-৫, রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, নাজিরপুর এলাকার মোঃ রাসেল হোসেনের বসতবাড়ি ও আশপাশে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ রাখা হয়েছে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশিকালে ৫৫০ লিটার ডিজেল ও ২২ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা তেল ভ্রাম্যমাণ আদালত স্থানীয় ডিলারের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা নেয় এবং বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে একই দিনে নাজিরপুর ছয়হাটি বাজারে মেসার্স রবিউল ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়| সেখানে প্রায় ৩৫০ লিটার ডিজেলের মজুদ পাওয়া যায়। এ সময় দোকান মালিক জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দেখান।
আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগের সময় তিনি লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করেছেন বলে দাবি করেন। তার বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ মঙ্গলবার গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
র্যাব জানিয়েছে, অবৈধ মজুদ, কালোবাজারি ও জ্বালানি তেলের অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।