আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যের ওপর কার্যকর কর আরোপ ও মূল্য বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে তরুণরা। রাজধানীর ঢাকা আহছানিয়া মিশনের অডিটোরিয়ামে সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং। সংগঠনটি এর আগেও তামাক নিয়ন্ত্রণ ও কর বৃদ্ধির পক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশে তামাকজাত পণ্যের সহজলভ্যতার কারণে তরুণ ও নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর মধ্যে তামাক ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে প্রায় ২ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে, যা দেশের মোট মৃত্যুর ১৮ শতাংশের বেশি। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তামাকপণ্যকে তরুণদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিতে কার্যকর করারোপ ও মূল্য বৃদ্ধি জরুরি বলে তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, তামাক খাত থেকে সরকারের বার্ষিক রাজস্ব আয় প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হলেও তামাকজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। এই আর্থ-সামাজিক ক্ষতি কমাতে তামাকপণ্যে শক্তিশালী করনীতি গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই বলেও তারা মত দেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তুলনায় তামাকদ্রব্য তুলনামূলকভাবে সস্তা। মূল্যস্ফীতি ও আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তামাকপণ্যের দাম না বাড়ায় এসব পণ্য এখনো তরুণদের নাগালের মধ্যে রয়ে গেছে।
ইয়ুথ ফোরামের কো-অর্ডিনেটর মারজানা মুনতাহা বলেন, সিগারেটের চার স্তরের মূল্য কাঠামোর কারণে নিম্নমূল্যের সিগারেট সহজলভ্য হয়ে তরুণদের তামাক ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। তিনি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একীভূত করে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ১০০ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি সব স্তরে ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের দাবিও জানান।
ইয়ুথ ফোরামের সদস্য তাসনিয়া তানজিম সারা বলেন, প্রস্তাবিত কর বৃদ্ধি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবে এবং ৩ লাখের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করা থেকে বিরত থাকবে। এর ফলে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৩৫ জন তরুণের অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, নতুন কর কাঠামো বাস্তবায়ন করা গেলে সরকার প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি তামাক কর রাজস্ব অর্জন করতে পারবে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বেশি। অতিরিক্ত এই রাজস্ব স্বাস্থ্যখাত উন্নয়ন ও তামাকজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশে তামাকজাত পণ্যের সহজলভ্যতার কারণে তরুণ ও নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর মধ্যে তামাক ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে প্রায় ২ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে, যা দেশের মোট মৃত্যুর ১৮ শতাংশের বেশি। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তামাকপণ্যকে তরুণদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিতে কার্যকর করারোপ ও মূল্য বৃদ্ধি জরুরি বলে তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, তামাক খাত থেকে সরকারের বার্ষিক রাজস্ব আয় প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হলেও তামাকজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। এই আর্থ-সামাজিক ক্ষতি কমাতে তামাকপণ্যে শক্তিশালী করনীতি গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই বলেও তারা মত দেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তুলনায় তামাকদ্রব্য তুলনামূলকভাবে সস্তা। মূল্যস্ফীতি ও আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তামাকপণ্যের দাম না বাড়ায় এসব পণ্য এখনো তরুণদের নাগালের মধ্যে রয়ে গেছে।
ইয়ুথ ফোরামের কো-অর্ডিনেটর মারজানা মুনতাহা বলেন, সিগারেটের চার স্তরের মূল্য কাঠামোর কারণে নিম্নমূল্যের সিগারেট সহজলভ্য হয়ে তরুণদের তামাক ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। তিনি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একীভূত করে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ১০০ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি সব স্তরে ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের দাবিও জানান।
ইয়ুথ ফোরামের সদস্য তাসনিয়া তানজিম সারা বলেন, প্রস্তাবিত কর বৃদ্ধি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবে এবং ৩ লাখের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করা থেকে বিরত থাকবে। এর ফলে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৩৫ জন তরুণের অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, নতুন কর কাঠামো বাস্তবায়ন করা গেলে সরকার প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি তামাক কর রাজস্ব অর্জন করতে পারবে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বেশি। অতিরিক্ত এই রাজস্ব স্বাস্থ্যখাত উন্নয়ন ও তামাকজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।