রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গৃহকর্তাদের খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করে চুরি এবং অন্তত একটি ঘটনায় হত্যাকাণ্ড ঘটানোর অভিযোগে বিলকিস বেগম (৪০) নামে এক গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর পশ্চিম আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক এনায়েত হোসেন মান্নান এ তথ্য জানান। চেতনানাশক ব্যবহার করে ক্রমিক চুরির রহস্য উদ্ঘাটন শীর্ষক এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
পিবিআই জানায়, বিলকিস বেগম বিভিন্ন সময় ভুয়া পরিচয়ে গৃহকর্মীর কাজ নিতেন। কখনো মারুফা, কখনো আঞ্জুমান, আবার কখনো নিজের নাম ব্যবহার করতেন। কাজ নেওয়ার পর সুযোগ বুঝে বাসার সদস্যদের খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করতেন। এরপর স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যেতেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বছরের ১৩ আগস্ট উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে ইবনুল আলম পলাশের বাসায় আঞ্জুমান পরিচয়ে কাজ নেন ওই নারী। পরদিন কাজে যোগ দিয়ে গৃহকর্তার মা রওশনারা বেগমের জন্য নাশতা তৈরি করেন। পরে আলুভাজির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাঁকে অচেতন করে হাতের সোনার বালা, কানের দুল ও তিন হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।
বিকেলে বাসায় ফিরে পরিবারের সদস্যরা রওশনারা বেগমকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। টানা নয় দিন চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হন। এ ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় মামলা হলেও দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ আসামিকে শনাক্ত করতে না পেরে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটি অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।
পিবিআই কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরায় একই কৌশলে চুরি করতে গিয়ে একটি হত্যার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় বিলকিস বেগমকে গ্রেপ্তারের পর আগের মামলার ভুক্তভোগী পরিবারকে তাঁর ছবি দেখানো হলে তাঁরা তাঁকে শনাক্ত করেন। এরপর দুই ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র বেরিয়ে আসে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিলকিস বেগম গত পাঁচ থেকে ছয় বছরে উত্তরা, হাতিরঝিলসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একই কায়দায় অন্তত সাতটি চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পিবিআই। এর মধ্যে উত্তরার একটি ঘটনায় অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ প্রয়োগে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেছেন।
পিবিআই আরও জানায়, বিলকিসের কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। এমনকি তাঁর ফিঙ্গারপ্রিন্টও সংরক্ষিত নেই। তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে আবার একই অপরাধে জড়াতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আহমেদ মুন্সী বলেন, বিলকিস পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন পরিচয়ে বাসাবাড়িতে কাজ নিতেন এবং শুরু থেকেই তাঁর উদ্দেশ্য ছিল চুরি করা। তাঁর সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর পশ্চিম আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক এনায়েত হোসেন মান্নান এ তথ্য জানান। চেতনানাশক ব্যবহার করে ক্রমিক চুরির রহস্য উদ্ঘাটন শীর্ষক এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
পিবিআই জানায়, বিলকিস বেগম বিভিন্ন সময় ভুয়া পরিচয়ে গৃহকর্মীর কাজ নিতেন। কখনো মারুফা, কখনো আঞ্জুমান, আবার কখনো নিজের নাম ব্যবহার করতেন। কাজ নেওয়ার পর সুযোগ বুঝে বাসার সদস্যদের খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করতেন। এরপর স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যেতেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বছরের ১৩ আগস্ট উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে ইবনুল আলম পলাশের বাসায় আঞ্জুমান পরিচয়ে কাজ নেন ওই নারী। পরদিন কাজে যোগ দিয়ে গৃহকর্তার মা রওশনারা বেগমের জন্য নাশতা তৈরি করেন। পরে আলুভাজির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাঁকে অচেতন করে হাতের সোনার বালা, কানের দুল ও তিন হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।
বিকেলে বাসায় ফিরে পরিবারের সদস্যরা রওশনারা বেগমকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। টানা নয় দিন চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হন। এ ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় মামলা হলেও দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ আসামিকে শনাক্ত করতে না পেরে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটি অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।
পিবিআই কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরায় একই কৌশলে চুরি করতে গিয়ে একটি হত্যার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় বিলকিস বেগমকে গ্রেপ্তারের পর আগের মামলার ভুক্তভোগী পরিবারকে তাঁর ছবি দেখানো হলে তাঁরা তাঁকে শনাক্ত করেন। এরপর দুই ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র বেরিয়ে আসে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিলকিস বেগম গত পাঁচ থেকে ছয় বছরে উত্তরা, হাতিরঝিলসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একই কায়দায় অন্তত সাতটি চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পিবিআই। এর মধ্যে উত্তরার একটি ঘটনায় অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ প্রয়োগে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেছেন।
পিবিআই আরও জানায়, বিলকিসের কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। এমনকি তাঁর ফিঙ্গারপ্রিন্টও সংরক্ষিত নেই। তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে আবার একই অপরাধে জড়াতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আহমেদ মুন্সী বলেন, বিলকিস পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন পরিচয়ে বাসাবাড়িতে কাজ নিতেন এবং শুরু থেকেই তাঁর উদ্দেশ্য ছিল চুরি করা। তাঁর সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।