যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনা নিরসনে তিন স্তরের নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে পাঠানো এই প্রস্তাবে প্রথমে যুদ্ধ বন্ধ, পরে হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমঝোতা এবং সবশেষে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরুর কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে নিশ্চয়তা দিতে হবে যে ভবিষ্যতে ইরান ও লেবাননে আর কোনো আগ্রাসী হামলা চালানো হবে না।
দ্বিতীয় ধাপে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা শুরুর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এ ধাপে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে গ্রহণযোগ্য সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তৃতীয় ধাপে বলা হয়েছে, আগের দুই ধাপে সমঝোতা হলে এবং সব পক্ষ সম্মত হলে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করা হবে।
এ বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া জানতে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এক মুখপাত্র জানান, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল কূটনৈতিক বিষয় এবং এ মুহূর্তে প্রকাশ্যে মন্তব্য করা হবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, যেকোনো চুক্তিতে মার্কিন স্বার্থ অগ্রাধিকার পাবে এবং ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না।
এর আগে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠক হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি। পরে দ্বিতীয় দফা সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া হলেও দুই পক্ষই সরাসরি আলোচনায় অনাগ্রহ দেখায়। এ অবস্থায় মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো আবারও আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানায়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়েছেন, দীর্ঘ দূরত্বে প্রতিনিধি পাঠাতে তিনি আগ্রহী নন; ভবিষ্যতে আলোচনা ফোনের মাধ্যমেও হতে পারে। এর পরপরই নতুন তিন ধাপের প্রস্তাব সামনে আনে তেহরান।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে নিশ্চয়তা দিতে হবে যে ভবিষ্যতে ইরান ও লেবাননে আর কোনো আগ্রাসী হামলা চালানো হবে না।
দ্বিতীয় ধাপে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা শুরুর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এ ধাপে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে গ্রহণযোগ্য সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তৃতীয় ধাপে বলা হয়েছে, আগের দুই ধাপে সমঝোতা হলে এবং সব পক্ষ সম্মত হলে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করা হবে।
এ বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া জানতে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এক মুখপাত্র জানান, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল কূটনৈতিক বিষয় এবং এ মুহূর্তে প্রকাশ্যে মন্তব্য করা হবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, যেকোনো চুক্তিতে মার্কিন স্বার্থ অগ্রাধিকার পাবে এবং ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না।
এর আগে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠক হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি। পরে দ্বিতীয় দফা সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া হলেও দুই পক্ষই সরাসরি আলোচনায় অনাগ্রহ দেখায়। এ অবস্থায় মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো আবারও আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানায়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়েছেন, দীর্ঘ দূরত্বে প্রতিনিধি পাঠাতে তিনি আগ্রহী নন; ভবিষ্যতে আলোচনা ফোনের মাধ্যমেও হতে পারে। এর পরপরই নতুন তিন ধাপের প্রস্তাব সামনে আনে তেহরান।