চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানার আলোচিত আশফাক কবির সাজিদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক ২ নম্বর আসামি অনিক দাসকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব জানায়, গত (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানাধীন সরকারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনিক দাসকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আনোয়ারা উপজেলার করইপুরা গ্রামের যীশু দাসের ছেলে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, নিহত আশফাক কবির সাজিদ কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার দাতিনাথালীপাড়া গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে এবং চট্টগ্রামের বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার সুবাদে তিনি নগরীর ডিসি রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
্ (১২ এপ্রিল বিকেলে চকবাজার থানাধীন বৌবাজার এলাকায় একটি টং দোকানের সামনে বন্ধু ফারদিন হাসানের সঙ্গে বসে থাকা অবস্থায় কয়েকজন যুবক তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে সাজিদ প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনের ৮ম তলায় আশ্রয় নেন। অভিযুক্তরা ভবনে প্রবেশ করে তাকে মারধর করে গুরুতর জখম অবস্থায় লিফটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়।
স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।
পরদিন ১৩ এপ্রিল নিহতের বাবা বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ৩০২/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-০৪)।
র্যাব জানায়, মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পলাতক আসামি অনিক দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চকবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গত (২৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানাধীন সরকারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনিক দাসকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আনোয়ারা উপজেলার করইপুরা গ্রামের যীশু দাসের ছেলে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, নিহত আশফাক কবির সাজিদ কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার দাতিনাথালীপাড়া গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে এবং চট্টগ্রামের বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার সুবাদে তিনি নগরীর ডিসি রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
্ (১২ এপ্রিল বিকেলে চকবাজার থানাধীন বৌবাজার এলাকায় একটি টং দোকানের সামনে বন্ধু ফারদিন হাসানের সঙ্গে বসে থাকা অবস্থায় কয়েকজন যুবক তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে সাজিদ প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনের ৮ম তলায় আশ্রয় নেন। অভিযুক্তরা ভবনে প্রবেশ করে তাকে মারধর করে গুরুতর জখম অবস্থায় লিফটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়।
স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।
পরদিন ১৩ এপ্রিল নিহতের বাবা বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ৩০২/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-০৪)।
র্যাব জানায়, মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পলাতক আসামি অনিক দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চকবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।