গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় প্রেমিক যুগলের একসঙ্গে বিষপানের ঘটনায় প্রেমিকা মারা যাওয়ার পাঁচ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন প্রেমিক পরশ প্রধান (২১)।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত রোববার সকালে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রেমিকা মিম আক্তার (১৯)।
নিহত পরশ প্রধান উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ প্রধানের ছেলে এবং মিম আক্তার একই গ্রামের শফিউল ইসলামের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিম আক্তারের সঙ্গে মোরসালিন হাসান পরশ প্রধানের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েক মাস আগে মিম আক্তারের অন্যত্র বিয়ে হলেও তাদের মধ্যে গোপনে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। সম্প্রতি মিম বাবার বাড়িতে বেড়াতে এলে তাদের মধ্যে অভিমান তৈরি হয়। এর জেরে গত ১৭ এপ্রিল সকালে পরিবারের অগোচরে তারা দুজনেই বিষপান করেন।
পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মিম আক্তারকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
অপরদিকে, ১৯ এপ্রিল সকালে পরশ প্রধানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল কাইয়ুম হুদা জানান, কয়েক দিন আগে বিষপানে মিম আক্তারের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় শুক্রবার সকালে পরশ প্রধানের মৃত্যুর বিষয়টি তিনি লোকমুখে শুনেছেন।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম বলেন, মিম আক্তারের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছিল। তবে পরশ প্রধানের মৃত্যুর বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত রোববার সকালে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রেমিকা মিম আক্তার (১৯)।
নিহত পরশ প্রধান উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ প্রধানের ছেলে এবং মিম আক্তার একই গ্রামের শফিউল ইসলামের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিম আক্তারের সঙ্গে মোরসালিন হাসান পরশ প্রধানের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েক মাস আগে মিম আক্তারের অন্যত্র বিয়ে হলেও তাদের মধ্যে গোপনে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। সম্প্রতি মিম বাবার বাড়িতে বেড়াতে এলে তাদের মধ্যে অভিমান তৈরি হয়। এর জেরে গত ১৭ এপ্রিল সকালে পরিবারের অগোচরে তারা দুজনেই বিষপান করেন।
পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মিম আক্তারকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
অপরদিকে, ১৯ এপ্রিল সকালে পরশ প্রধানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল কাইয়ুম হুদা জানান, কয়েক দিন আগে বিষপানে মিম আক্তারের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় শুক্রবার সকালে পরশ প্রধানের মৃত্যুর বিষয়টি তিনি লোকমুখে শুনেছেন।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম বলেন, মিম আক্তারের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছিল। তবে পরশ প্রধানের মৃত্যুর বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি।