রাজশাহীতে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হাতবোমার বিস্ফোরণ, আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রের মহড়া এবং ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ও জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখির নেতৃত্বে এই দখল অভিযান চালানো হয়।
স্থানীয় ও শ্রমিক ইউনিয়ন সূত্রে জানা যায়, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরীর পরিবর্তে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান রফিকুল ইসলাম পাখি। শ্রমিকরা আর ও বলেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মাহাতাব হোসেন চৌধুরীর কমিটিতে রফিকুল ইসলাম পাখি ছিলেন। তবে গত বুধবার একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার অনুসারীদের হাতে কয়েকজন সাধারণ শ্রমিক লাঞ্ছিত হন। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পাখিকে অবরুদ্ধ করে তাকে লাঞ্ছিত করে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানান।
এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই শিরোইল এলাকায় অবস্থান নেন পাখির বিরোধী শতাধিক শ্রমিক। অন্যদিকে, নগরীর রেলগেট এলাকায় জড়ো হন পাখির অনুসারীরা। উভয় পক্ষের হাতেই রড, পাইপ ও দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রায় দুই শতাধিক অনুসারী মিছিলসহ শিরোইল এলাকায় প্রবেশ করেন রফিকুল ইসলাম পাখি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেখানে পৌঁছে তার অনুসারীরা ৫ থেকে ৬টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বোমা বিস্ফোরণ ও সশস্ত্র মহড়ার মুখে প্রতিপক্ষ শ্রমিকরা পিছু হটলে পাখির অনুসারীরা কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এ সময় তারা আশপাশের কয়েকটি দোকান, ভবনের কাঁচ এবং বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। প্রায় এক ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়ে তারা পুনরায় রেলগেট এলাকায় ফিরে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরো ঘটনায় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো ভূমিকা দেখা যায়নি; বরং তারা নীরব দর্শকের মতো অবস্থান নেয়। ঘটনার পর থেকে শিরোইল বাস টার্মিনালসহ আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগের শ্রমিক নেতারা সাধারণ শ্রমিকদের দিয়ে কার্যালয়ে তালা দিয়েছিল। আমরা কার্যালয় উদ্ধার করেছি। এখন কোনো সমস্যা নেই।’’
কথা বলার জন্য সংঘর্ষের পর পাখিবিরোধী শ্রমিকদের কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে সংঘর্ষের আগে সংগঠনের কার্যালয়ের সামনে অবস্থানের সময় শ্রমিকেরা বলছিলেন, তাদের সংগঠনে এখন নির্বাচিত নেতৃত্ব নেই। সংগঠন দখল করা হয়েছে। তারা এখন নির্বাচন চান।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘‘দুপক্ষই সরে গেছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত।’’
তাণ্ডবের সময় পুলিশের দর্শকের ভূমিকায় থাকার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘আমরা অতিরিক্ত ফোর্স পাঠিয়েছি। আর কেউই আইনের বাইরে নয়। ওই এলাকায় সিসি ক্যামেরা আছে। ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ও জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখির নেতৃত্বে এই দখল অভিযান চালানো হয়।
স্থানীয় ও শ্রমিক ইউনিয়ন সূত্রে জানা যায়, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরীর পরিবর্তে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান রফিকুল ইসলাম পাখি। শ্রমিকরা আর ও বলেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মাহাতাব হোসেন চৌধুরীর কমিটিতে রফিকুল ইসলাম পাখি ছিলেন। তবে গত বুধবার একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার অনুসারীদের হাতে কয়েকজন সাধারণ শ্রমিক লাঞ্ছিত হন। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পাখিকে অবরুদ্ধ করে তাকে লাঞ্ছিত করে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানান।
এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই শিরোইল এলাকায় অবস্থান নেন পাখির বিরোধী শতাধিক শ্রমিক। অন্যদিকে, নগরীর রেলগেট এলাকায় জড়ো হন পাখির অনুসারীরা। উভয় পক্ষের হাতেই রড, পাইপ ও দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রায় দুই শতাধিক অনুসারী মিছিলসহ শিরোইল এলাকায় প্রবেশ করেন রফিকুল ইসলাম পাখি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেখানে পৌঁছে তার অনুসারীরা ৫ থেকে ৬টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বোমা বিস্ফোরণ ও সশস্ত্র মহড়ার মুখে প্রতিপক্ষ শ্রমিকরা পিছু হটলে পাখির অনুসারীরা কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এ সময় তারা আশপাশের কয়েকটি দোকান, ভবনের কাঁচ এবং বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। প্রায় এক ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়ে তারা পুনরায় রেলগেট এলাকায় ফিরে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরো ঘটনায় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো ভূমিকা দেখা যায়নি; বরং তারা নীরব দর্শকের মতো অবস্থান নেয়। ঘটনার পর থেকে শিরোইল বাস টার্মিনালসহ আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগের শ্রমিক নেতারা সাধারণ শ্রমিকদের দিয়ে কার্যালয়ে তালা দিয়েছিল। আমরা কার্যালয় উদ্ধার করেছি। এখন কোনো সমস্যা নেই।’’
কথা বলার জন্য সংঘর্ষের পর পাখিবিরোধী শ্রমিকদের কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে সংঘর্ষের আগে সংগঠনের কার্যালয়ের সামনে অবস্থানের সময় শ্রমিকেরা বলছিলেন, তাদের সংগঠনে এখন নির্বাচিত নেতৃত্ব নেই। সংগঠন দখল করা হয়েছে। তারা এখন নির্বাচন চান।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘‘দুপক্ষই সরে গেছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত।’’
তাণ্ডবের সময় পুলিশের দর্শকের ভূমিকায় থাকার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘আমরা অতিরিক্ত ফোর্স পাঠিয়েছি। আর কেউই আইনের বাইরে নয়। ওই এলাকায় সিসি ক্যামেরা আছে। ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’