মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়নে ১৪ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে ওই কিশোরীর নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম হাবেজ উদ্দিন (৬০)। তিনি উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়নের পাঞ্জনখাড়া গ্রামের মৃত ময়ুর আলীর ছেলে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে কিশোরীর মা গবাদি পশুর ঘাস কাটতে মাঠে যান এবং বাবা রিকশা নিয়ে উপার্জনের জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন। বাড়ি জনশূন্য থাকার সুযোগে অভিযুক্ত হাবেজ উদ্দিন সেখানে প্রবেশ করেন এবং কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
কিশোরীর মা জানান, ”আমি বাড়ি ফিরে দেখি হাবেজ উদ্দিন তাড়াহুড়ো করে আমাদের ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। ঘরে ঢুকে দেখি আমার মেয়েটি বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে আছে। তার শারীরিক অবস্থা ও পারিপার্শ্বিক আলামত দেখে আমরা নিশ্চিত হই যে তাকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে।”
ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কিশোরীর বাবা জানিয়েছেন, মেয়ের শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন জানান, “বিষয়টি এখন পর্যন্ত আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। ঘটনাটি শোনার পর আমরা খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছি। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ দিলে কিংবা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে ওই কিশোরীর নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম হাবেজ উদ্দিন (৬০)। তিনি উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়নের পাঞ্জনখাড়া গ্রামের মৃত ময়ুর আলীর ছেলে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে কিশোরীর মা গবাদি পশুর ঘাস কাটতে মাঠে যান এবং বাবা রিকশা নিয়ে উপার্জনের জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন। বাড়ি জনশূন্য থাকার সুযোগে অভিযুক্ত হাবেজ উদ্দিন সেখানে প্রবেশ করেন এবং কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
কিশোরীর মা জানান, ”আমি বাড়ি ফিরে দেখি হাবেজ উদ্দিন তাড়াহুড়ো করে আমাদের ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। ঘরে ঢুকে দেখি আমার মেয়েটি বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে আছে। তার শারীরিক অবস্থা ও পারিপার্শ্বিক আলামত দেখে আমরা নিশ্চিত হই যে তাকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে।”
ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কিশোরীর বাবা জানিয়েছেন, মেয়ের শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন জানান, “বিষয়টি এখন পর্যন্ত আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। ঘটনাটি শোনার পর আমরা খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছি। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ দিলে কিংবা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”