পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হওয়ার ‘সম্ভাবনা আছে’ বলে সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টকে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
প্রতিবেদন অনুসারে, ইসলামাবাদের সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু হতে পারে।
এ ব্যাপারে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাইলে তিনি জবাব দেন, ‘সম্ভাবনা আছে’। খবর বিবিসি’র।
এদিকে, অনুমোদন ছাড়া হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে এখন পর্যন্ত তিনটি কার্গো জাহাজে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দু’টি জাহাজ জব্দ করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
বুধবার (২২ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলসহ ইরানি গণমাধ্যমগুলো আইআরজিসি নৌবাহিনীর একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এমএসসি ফ্রান্সেসকা এবং এপামিনোন্ডাস নামের দু’টি জাহাজ জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম জাহাজটি ইসরাইলি সরকারের মালিকানাধীন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাহাজ দুটি অনুমোদন ছাড়াই চলাচল, বারবার নিয়ম লঙ্ঘন, নেভিগেশন সহায়ক ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ এবং গোপনে প্রণালীটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিপন্ন করছিল।’
বিবৃতি অনুযায়ী, ‘এ কারণে বাহিনীর গোয়েন্দা দক্ষতায় হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাতির অধিকার সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জাহাজগুলোকে শনাক্ত করে থামানো হয়েছে এবং তাদের কার্গো, নথি এবং রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় স্থানান্তর করা হয়েছে।’
আইআরজিসি নৌবাহিনী সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের জন্য ইরান ঘোষিত আইন বাস্তবায়নে বাধা দেয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা অথবা এই কৌশলগত জলপথে নিরাপদ চলাচলের পরিপন্থি যেকোনো কার্যকলাপের ওপর ক্রমাগত নজর রাখা হবে এবং লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ইসলামাবাদের সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু হতে পারে।
এ ব্যাপারে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাইলে তিনি জবাব দেন, ‘সম্ভাবনা আছে’। খবর বিবিসি’র।
এদিকে, অনুমোদন ছাড়া হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে এখন পর্যন্ত তিনটি কার্গো জাহাজে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দু’টি জাহাজ জব্দ করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
বুধবার (২২ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলসহ ইরানি গণমাধ্যমগুলো আইআরজিসি নৌবাহিনীর একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এমএসসি ফ্রান্সেসকা এবং এপামিনোন্ডাস নামের দু’টি জাহাজ জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম জাহাজটি ইসরাইলি সরকারের মালিকানাধীন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাহাজ দুটি অনুমোদন ছাড়াই চলাচল, বারবার নিয়ম লঙ্ঘন, নেভিগেশন সহায়ক ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ এবং গোপনে প্রণালীটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিপন্ন করছিল।’
বিবৃতি অনুযায়ী, ‘এ কারণে বাহিনীর গোয়েন্দা দক্ষতায় হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাতির অধিকার সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জাহাজগুলোকে শনাক্ত করে থামানো হয়েছে এবং তাদের কার্গো, নথি এবং রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় স্থানান্তর করা হয়েছে।’
আইআরজিসি নৌবাহিনী সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের জন্য ইরান ঘোষিত আইন বাস্তবায়নে বাধা দেয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা অথবা এই কৌশলগত জলপথে নিরাপদ চলাচলের পরিপন্থি যেকোনো কার্যকলাপের ওপর ক্রমাগত নজর রাখা হবে এবং লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।