তানোরে বিদ্যুতের দু'কর্মকর্তার পালিয়ে রক্ষা !

আপলোড সময় : ২২-০৪-২০২৬ ১২:৩৫:২৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-০৪-২০২৬ ১২:৩৫:২৮ অপরাহ্ন
রাজশাহীর তানোরে পল্লী বিদ্যুতের বকেয়া বিলের টাকা পরিশোধ করার পরেও অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে ওয়্যারিং ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ ও ইলেক্ট্রিশিয়ান শান্ত গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেস্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনিয় বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা হট্টগোল করে  ওয়্যারিং ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ ও ইলেক্ট্রিশিয়ান শান্তকে পিটুনি দিয়ে আটকের চেস্টা করলে তারা পালিয়ে রক্ষা পায়।তবে ওয়্যারিং ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ ও ইলেক্ট্রিশিয়ান শান্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন মৃদু বাকবিতন্ডা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) শ্রীখন্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রামবাসীর প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ বা মামলা হয়নি। কিন্ত্ত এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পল্লী বিদ্যুতের লোকজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) শ্রীখন্ডা গ্রামের কয়েকজন গ্রাহক অফিস-সংশ্লিষ্ট ইলেক্ট্রিশিয়ান নাজমুলের কাছে বকেয়া বিলের টাকা দেন। কিন্তু নাজমুল অফিসে টাকা জমা দেননি। এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রাহকদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে যান ওয়্যারিং ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ ও ইলেক্ট্রিশিয়ান শান্ত।

এসময় গ্রাহকগণ বলেন, তারা নাজমুলকে বিলের টাকা দিয়েছেন। কিন্তু কর্মকর্তারা তা আমলে না নিয়ে তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক  আচরণ, গালমন্দ ও কটাক্ষ করেন। এ সময় গ্রাহক ও স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে ওয়্যারিং ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ ও ইলেক্ট্রিশিয়ান শান্তকে ধাক্কাধাক্কি মারধর ও স্বজরে লাথি মারে। পরে বাধ্য হয়ে পুনরায় সংযোগ দেওয়া হলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।

গ্রাহক ও স্থানীয়রা জানান, দেশে জ্বালানি সংকটের কারণে দিনরাত বিদ্যুতের লোডশেডিং চলছে। প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। তারা দীর্ঘদিন ধরে নাজমুলের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করে আসছেন। বিষয়টি অফিসকে জানালেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার অনুরোধ শোনা হয়নি। উল্টো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা ও গালগালি করা হয়, যা নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ওয়্যারিং ইন্সপেক্টর অলিউল্লাহ ও ইলেক্ট্রেশিয়ান শান্ত তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মারপিট হয়নি, শুধু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। বিলের টাকা পরিশোধের পর সংযোগ চালু করে দেওয়া হয়েছে। আর পালিয়ে আশার অভিযোগ সঠিক নয়।

এবিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তানোর জোনের (ডিজিএম) রেজাউল করিম খাঁন জানান, মারপিট হয়নি। নাজমুল নামে এক স্থানীয় ইলেক্ট্রিশিয়ানের কাছে গ্রাহকরা বিলের টাকা দিয়েছিলেন, কিন্তু তা অফিসে জমা না দেওয়ায় হট্টগোল হয়। পরে বিষয়টি সমাধান হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। তিনি ছুটিতে আছেন বলেও জানান।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]