রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী নিয়ামতপুর উপজেলার পাঁড়ইল ইউনিয়নের (ইউপি) বিদিলপুর মৌজায় প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে দিবালোকে অবৈধভাবে পুকুর খনন ও খড়িবাড়ি-রাজবাড়ি সরকারি পাকা রাস্তা নস্ট করে অবৈধ মাটি বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান,পুকুর খননের বিক্রি করা মাটি পরিবহণ করার সময় রাস্তায় মাটি পড়ে পাকা রাস্তা কাঁদায় পরিণত হয়েছে। কোনো ধরনের যানবহন চলা তো দূরে থাক পাঁয়ে হেটে চলাচল করাও দুরুহ হয়ে উঠেছে।
এদিকে রাস্তায় পড়া কাঁদা মাটি কোদাল দিয়ে পরিস্কার করতে গিয়ে রাস্তার খোয়া পাথর উঠে যাচ্ছে। এতে গ্রামবাসি বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।কিন্ত্ত রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভবশালী পুকুর মালিক এবং স্কেভেটর(ভেকু)দালালের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে পারছে না। সম্প্রতি বৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে পড়েছে। পুকুর মালিকদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসি।
স্থানীয়রা জানান, পুকুর মালিকের খাম-খেয়ালীতে কয়েক গ্রামের জনসাধারণ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সরকারি পাকা রাস্তা নস্টের জন্য পুকুর মালিক ও ভেকু দালালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন গ্রামবাসি।
গতকাল সরেজমিন দেখা গেছে, প্রকাশ্যে দিবালোকে খড়িবাড়ি-রাজবাড়ি পাকা রাস্তা নস্ট করে পুকুরের কাদামাটি পরিবহণ করা হচ্ছে।এবং রাস্তায় রীতিমতো পাহারা বসিয়ে মাটি পরিবহণ করা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল ও আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার মিলছে না।
এদিকে গ্রামের কয়েকজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি জানান, এসময় পুকুর খনন করে মাটি বহন করা সঠিক কাজ না। রাস্তার যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তাতে করে চলাচল করায় কষ্টকর ব্যাপার। এখানেই শেষ না মাটি পরিবহনের কারনে রাস্তার বিভিন্ন স্থান দেবে গেছে। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে।স্থানীয়রা এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভেকু দালাল বলেন,সবাইকে ম্যানেজ করেই মাটি কাটা হচ্ছে।এসব নিয়ে পত্রিকায় খবর প্রকাশ করে কোনো লাভ নাই।
স্থানীয়রা জানান,পুকুর খননের বিক্রি করা মাটি পরিবহণ করার সময় রাস্তায় মাটি পড়ে পাকা রাস্তা কাঁদায় পরিণত হয়েছে। কোনো ধরনের যানবহন চলা তো দূরে থাক পাঁয়ে হেটে চলাচল করাও দুরুহ হয়ে উঠেছে।
এদিকে রাস্তায় পড়া কাঁদা মাটি কোদাল দিয়ে পরিস্কার করতে গিয়ে রাস্তার খোয়া পাথর উঠে যাচ্ছে। এতে গ্রামবাসি বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।কিন্ত্ত রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভবশালী পুকুর মালিক এবং স্কেভেটর(ভেকু)দালালের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে পারছে না। সম্প্রতি বৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে পড়েছে। পুকুর মালিকদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসি।
স্থানীয়রা জানান, পুকুর মালিকের খাম-খেয়ালীতে কয়েক গ্রামের জনসাধারণ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সরকারি পাকা রাস্তা নস্টের জন্য পুকুর মালিক ও ভেকু দালালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন গ্রামবাসি।
গতকাল সরেজমিন দেখা গেছে, প্রকাশ্যে দিবালোকে খড়িবাড়ি-রাজবাড়ি পাকা রাস্তা নস্ট করে পুকুরের কাদামাটি পরিবহণ করা হচ্ছে।এবং রাস্তায় রীতিমতো পাহারা বসিয়ে মাটি পরিবহণ করা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল ও আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার মিলছে না।
এদিকে গ্রামের কয়েকজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি জানান, এসময় পুকুর খনন করে মাটি বহন করা সঠিক কাজ না। রাস্তার যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তাতে করে চলাচল করায় কষ্টকর ব্যাপার। এখানেই শেষ না মাটি পরিবহনের কারনে রাস্তার বিভিন্ন স্থান দেবে গেছে। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে।স্থানীয়রা এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভেকু দালাল বলেন,সবাইকে ম্যানেজ করেই মাটি কাটা হচ্ছে।এসব নিয়ে পত্রিকায় খবর প্রকাশ করে কোনো লাভ নাই।