দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের অন্যতম নাম তায়কোয়ানডো। কিন্তু এই উজ্জ্বল খোলসের নিচে লুকিয়ে থাকা দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, ফেডারেশনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও স্বার্থান্বেষী মহলের রোষানলে পড়ে ধ্বংস হতে চলেছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত মেধাবী নারী ক্রীড়াবিদ লুবাবা বিনতে আমজাদের ক্যারিয়ার। পরিকল্পিত অপপ্রচার, আর্থিক প্রতারণা এবং মানসিক হয়রানির মাধ্যমে এক উদীয়মান নক্ষত্রকে নিভিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সাউথ এশিয়ান গেমসের (এসএ গেমস) প্রস্তুতি ক্যাম্পে অবস্থানকালে খেলোয়াড়দের জন্য বরাদ্দ মাসিক ভাতা থেকে মাথাপিছু ৬ হাজার টাকা করে কেটে রাখা হয়। কোচদের মাধ্যমে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল এরশাদুল হক ও হাসানুজ্জামান বাবলুকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। উল্টো খেলোয়াড়দের জন্য বরাদ্দকৃত ট্র্যাকস্যুটসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্রয়ে ব্যাপক লুটপাটের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় দলীয় প্রতিনিধি বাংলাদেশ সেনাবাহীনির খেলোয়াড় দীপু চাকমাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বহিষ্কার করা হয়। প্রতিবাদে ক্যাম্প থেকে কয়েকজন সচেতন খেলোয়াড় পদত্যাগ করলে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে।
অন্যদিকে আনসারকে দলকে ‘চ্যাম্পিয়ন’ বানাতে সেনাবাহিনী তায়কোয়ানডো দলকে জাতীয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের ঠিক আগে দীপু চাকমাসহ ৮ জন শীর্ষ খেলোয়াড়কে বহিষ্কার করা হয়, যাতে আনসার বাহিনীকে অনৈতিকভাবে চ্যাম্পিয়ন করা যায়। এই প্রহসনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দল টুর্নামেন্ট বর্জন করে। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ছাড়াই একটি একপেশে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করে ফেডারেশন।
বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ খেলোয়াড় লুবাবা বিনতে আমজাদকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলোয়াড় কোটায় মেধাতালিকায় ৪র্থ স্থান অর্জন করা সত্ত্বেও ফেডারেশনের একটি চক্র তাকে বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করছে। জানা যায়, ২০২৪ সালের ২১তম ন্যাশনাল সিনিয়র/জুনিয়র তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপে লুবাবা স্বর্ণপদক অর্জন করলেও টুর্নামেন্ট কমিটির ভুলের কারণে তার সার্টিফিকেটে বয়স, ওজন ও প্রতিষ্ঠানের নাম ভুল আসে। পরবর্তীতে ফেডারেশন নিজেই তা সংশোধন করে সত্যায়ন করে দেয়। কিন্তু বর্তমানে ফেডারেশনের নতুন এডহক কমিটি সেই সংশোধিত সার্টিফিকেটকে পাশ কাটিয়ে পুরোনো ভুল সার্টিফিকেটকে ইস্যু করে তার ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি করছে।
প্রশ্ন উঠেছে, ফেডারেশনের কমিটি পরিবর্তন হলে পূর্ববর্তী কমিটির আয়োজিত টুর্নামেন্ট, প্রদত্ত সার্টিফিকেট ও কার্যক্রম কি অকার্যকর হয়ে যায়? যদি না হয়, তবে কেন একটি স্বীকৃত টুর্নামেন্টের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে?
সম্প্রতি প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আনসার ক্রীড়াবিদদের অর্থ আত্মসাতের চিত্র উঠে আসার পর তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে একজন নারী অ্যাথলেটের জীবন নিয়ে এভাবে খেলা করা নজিরবিহীন। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কল রিসিভ করেননি। দেশের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের বিদেশমুখী হওয়া ঠেকাতে এবং এই স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ ও বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে সচেতন ক্রীড়ামহল।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সাউথ এশিয়ান গেমসের (এসএ গেমস) প্রস্তুতি ক্যাম্পে অবস্থানকালে খেলোয়াড়দের জন্য বরাদ্দ মাসিক ভাতা থেকে মাথাপিছু ৬ হাজার টাকা করে কেটে রাখা হয়। কোচদের মাধ্যমে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল এরশাদুল হক ও হাসানুজ্জামান বাবলুকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। উল্টো খেলোয়াড়দের জন্য বরাদ্দকৃত ট্র্যাকস্যুটসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্রয়ে ব্যাপক লুটপাটের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় দলীয় প্রতিনিধি বাংলাদেশ সেনাবাহীনির খেলোয়াড় দীপু চাকমাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বহিষ্কার করা হয়। প্রতিবাদে ক্যাম্প থেকে কয়েকজন সচেতন খেলোয়াড় পদত্যাগ করলে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে।
অন্যদিকে আনসারকে দলকে ‘চ্যাম্পিয়ন’ বানাতে সেনাবাহিনী তায়কোয়ানডো দলকে জাতীয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের ঠিক আগে দীপু চাকমাসহ ৮ জন শীর্ষ খেলোয়াড়কে বহিষ্কার করা হয়, যাতে আনসার বাহিনীকে অনৈতিকভাবে চ্যাম্পিয়ন করা যায়। এই প্রহসনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দল টুর্নামেন্ট বর্জন করে। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ছাড়াই একটি একপেশে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করে ফেডারেশন।
বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ খেলোয়াড় লুবাবা বিনতে আমজাদকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলোয়াড় কোটায় মেধাতালিকায় ৪র্থ স্থান অর্জন করা সত্ত্বেও ফেডারেশনের একটি চক্র তাকে বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করছে। জানা যায়, ২০২৪ সালের ২১তম ন্যাশনাল সিনিয়র/জুনিয়র তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপে লুবাবা স্বর্ণপদক অর্জন করলেও টুর্নামেন্ট কমিটির ভুলের কারণে তার সার্টিফিকেটে বয়স, ওজন ও প্রতিষ্ঠানের নাম ভুল আসে। পরবর্তীতে ফেডারেশন নিজেই তা সংশোধন করে সত্যায়ন করে দেয়। কিন্তু বর্তমানে ফেডারেশনের নতুন এডহক কমিটি সেই সংশোধিত সার্টিফিকেটকে পাশ কাটিয়ে পুরোনো ভুল সার্টিফিকেটকে ইস্যু করে তার ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি করছে।
প্রশ্ন উঠেছে, ফেডারেশনের কমিটি পরিবর্তন হলে পূর্ববর্তী কমিটির আয়োজিত টুর্নামেন্ট, প্রদত্ত সার্টিফিকেট ও কার্যক্রম কি অকার্যকর হয়ে যায়? যদি না হয়, তবে কেন একটি স্বীকৃত টুর্নামেন্টের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে?
সম্প্রতি প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আনসার ক্রীড়াবিদদের অর্থ আত্মসাতের চিত্র উঠে আসার পর তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে একজন নারী অ্যাথলেটের জীবন নিয়ে এভাবে খেলা করা নজিরবিহীন। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কল রিসিভ করেননি। দেশের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের বিদেশমুখী হওয়া ঠেকাতে এবং এই স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ ও বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে সচেতন ক্রীড়ামহল।