সাধারণত মুখের ক্যানসার বলতেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে তামাক, খৈনি বা বিড়ি-সিগারেটের ছবি। পরিসংখ্যানও বলছে, এদেশে ওরাল ক্যানসারের প্রধান কারণ তামাক। কিন্তু চিকিৎসকরা এখন এক উদ্বেগজনক ট্রেন্ড লক্ষ্য করছেন। এমন অনেক রোগী হাসপাতালে আসছেন যাঁরা জীবনে কখনও তামাক ছোঁননি বা ধূমপান করেননি, অথচ তাঁরাও ওরাল ক্যানসারের শিকার হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তামাক ছাড়াও বেশ কিছু ভাইরাস এবং জীবনযাত্রার ভুল অভ্যাস এই মারণ রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। সচেতনতার অভাবে অনেক সময়ই অ-ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে এই রোগ ধরা পড়তে দেরি হয়ে যায়, যা বিপদ আরও বাড়ায়।
অ-ধূমপায়ীদের ওরাল ক্যানসারের প্রধান কারণ কী?
মুম্বাইয়ের সাইফি হাসপাতালের মেডিকেল অনকোলজিস্ট ডাঃ তসনিম ভরলের মতে, অ-ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে ওরাল ক্যানসারের অন্যতম প্রধান কারণ হল হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV)। উন্নত দেশগুলোর পাশাপাশি এদেশেও এই ভাইরাসের কারণে হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষ করে অল্পবয়সী পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে এই সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। মূলত ওরাল সেক্সের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়। চিকিৎসকদের মতে, সারর্ভাইক্যাল ক্যানসারের জন্য যে এইচপিভি (HPV) টিকা দেওয়া হয়, তা এই ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করতে পারে।
ওরাল হাইজিন ও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত
তামাক ব্যবহার না করলেও মুখের ভেতরকার স্বাস্থ্য বা ওরাল হাইজিন ঠিক না থাকলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। ডাঃ ভরল জানাচ্ছেন:
দীর্ঘদিনের অবহেলিত দাঁতের সমস্যা বা মুখের ঘা থেকে কোষে অস্বাভাবিক পরিবর্তন আসতে পারে।
ধারালো বা ভাঙা দাঁত অথবা ঠিকঠাক ফিট না হওয়া ডেনচার (কৃত্রিম দাঁত) থেকে যদি ক্রমাগত গালের ভেতরে ঘর্ষণ হয়, তবে সেই দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত থেকে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডাঃ স্মিত শেঠের মতে, তামাক ছাড়াও আরও কিছু কারণে মুখের ক্যানসার হতে পারে:
১. পুষ্টির অভাব: পাতে পর্যাপ্ত ফল ও সবজি না থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, যা পরোক্ষভাবে ক্যানসারের পথ প্রশস্ত করে।
২. পরিবেশ দূষণ: অত্যাধিক বায়ুদূষণ এবং দীর্ঘক্ষণ কড়া রোদে থাকার ফলে (বিশেষ করে ঠোঁটে) ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
৩. বংশগতি: পরিবারের কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকে।
কেন রোগ ধরা পড়তে দেরি হয়?
অ-ধূমপায়ীরা যেহেতু নিজেদের 'হাই রিস্ক' জোনে ভাবেন না, তাই ছোটখাটো উপসর্গগুলো তাঁরা এড়িয়ে যান। কিন্তু মনে রাখবেন, নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি:
মুখে এমন কোনও ঘা যা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সারছে না।
গালের ভেতরে লাল বা সাদা প্যাচ বা ছোপ।
গিলতে সমস্যা বা গলায় কোনও ফোলা অংশ বা ল্যাম্প।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা অস্বস্তি।
ভাল থাকতে করুন
চিকিৎসকদের কথায়, ওরাল ক্যানসার এখন আর শুধু ধূমপায়ীদের রোগ নয়। নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ, উন্নত ওরাল হাইজিন বজায় রাখা এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব। যেকোনও ক্ষত দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। দ্রুত রোগ ধরা পড়লে ওরাল ক্যানসার থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তামাক ছাড়াও বেশ কিছু ভাইরাস এবং জীবনযাত্রার ভুল অভ্যাস এই মারণ রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। সচেতনতার অভাবে অনেক সময়ই অ-ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে এই রোগ ধরা পড়তে দেরি হয়ে যায়, যা বিপদ আরও বাড়ায়।
অ-ধূমপায়ীদের ওরাল ক্যানসারের প্রধান কারণ কী?
মুম্বাইয়ের সাইফি হাসপাতালের মেডিকেল অনকোলজিস্ট ডাঃ তসনিম ভরলের মতে, অ-ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে ওরাল ক্যানসারের অন্যতম প্রধান কারণ হল হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV)। উন্নত দেশগুলোর পাশাপাশি এদেশেও এই ভাইরাসের কারণে হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষ করে অল্পবয়সী পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে এই সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। মূলত ওরাল সেক্সের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়। চিকিৎসকদের মতে, সারর্ভাইক্যাল ক্যানসারের জন্য যে এইচপিভি (HPV) টিকা দেওয়া হয়, তা এই ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করতে পারে।
ওরাল হাইজিন ও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত
তামাক ব্যবহার না করলেও মুখের ভেতরকার স্বাস্থ্য বা ওরাল হাইজিন ঠিক না থাকলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। ডাঃ ভরল জানাচ্ছেন:
দীর্ঘদিনের অবহেলিত দাঁতের সমস্যা বা মুখের ঘা থেকে কোষে অস্বাভাবিক পরিবর্তন আসতে পারে।
ধারালো বা ভাঙা দাঁত অথবা ঠিকঠাক ফিট না হওয়া ডেনচার (কৃত্রিম দাঁত) থেকে যদি ক্রমাগত গালের ভেতরে ঘর্ষণ হয়, তবে সেই দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত থেকে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডাঃ স্মিত শেঠের মতে, তামাক ছাড়াও আরও কিছু কারণে মুখের ক্যানসার হতে পারে:
১. পুষ্টির অভাব: পাতে পর্যাপ্ত ফল ও সবজি না থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, যা পরোক্ষভাবে ক্যানসারের পথ প্রশস্ত করে।
২. পরিবেশ দূষণ: অত্যাধিক বায়ুদূষণ এবং দীর্ঘক্ষণ কড়া রোদে থাকার ফলে (বিশেষ করে ঠোঁটে) ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
৩. বংশগতি: পরিবারের কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকে।
কেন রোগ ধরা পড়তে দেরি হয়?
অ-ধূমপায়ীরা যেহেতু নিজেদের 'হাই রিস্ক' জোনে ভাবেন না, তাই ছোটখাটো উপসর্গগুলো তাঁরা এড়িয়ে যান। কিন্তু মনে রাখবেন, নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি:
মুখে এমন কোনও ঘা যা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সারছে না।
গালের ভেতরে লাল বা সাদা প্যাচ বা ছোপ।
গিলতে সমস্যা বা গলায় কোনও ফোলা অংশ বা ল্যাম্প।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা অস্বস্তি।
ভাল থাকতে করুন
চিকিৎসকদের কথায়, ওরাল ক্যানসার এখন আর শুধু ধূমপায়ীদের রোগ নয়। নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ, উন্নত ওরাল হাইজিন বজায় রাখা এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব। যেকোনও ক্ষত দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। দ্রুত রোগ ধরা পড়লে ওরাল ক্যানসার থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া সম্ভব।