পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনাকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তেজনা সত্ত্বেও তেহরান আলোচনায় অংশ নিতে পারে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এতে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।
মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের একটি প্রতিনিধিদল আগামীকাল মঙ্গলবার ইসলামাবাদ পৌঁছাতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, আগের বৈঠকে অংশ নেওয়া দলই এবারও আসবে, যার নেতৃত্বে থাকতে পারেন বাঘের গালিবাফ এবং সঙ্গে থাকতে পারেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকতে পারেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তার সঙ্গে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও ওয়াশিংটন এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সময়সূচি প্রকাশ করেনি, পাকিস্তানি সূত্রগুলো জানিয়েছে যে কিছু মার্কিন অগ্রবর্তী দল ইতোমধ্যে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসলামাবাদে প্রতিনিধিদল পাঠানোর বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এর আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক উদ্যোগের পক্ষে মত দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অবিশ্বাস বজায় রাখার কথা বলেছেন।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরান সেখানে চলাচলে কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, আর যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ জারি রেখেছে। রোববার একটি ইরানি জাহাজ জব্দ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।
সম্ভাব্য এই আলোচনাকে ঘিরে পাকিস্তানও নিরাপত্তা জোরদার করেছে। ইসলামাবাদের পাশাপাশি রাওয়ালপিন্ডিতেও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১-১২ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা ১৯৭৯ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর প্রথম এমন যোগাযোগ ছিল। তবে সেই বৈঠক প্রত্যাশিত ফল দেয়নি। বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে যে নাজুক যুদ্ধবিরতি চলছে, সেটি বুধবার শেষ হওয়ার কথা।
সাম্প্রতিক ঘটনায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন নৌবাহিনী ওমান উপসাগরে একটি ইরানি জাহাজ আটক করেছে। এর পরপরই ইরান দ্রুত প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবং এই ঘটনাকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।
মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের একটি প্রতিনিধিদল আগামীকাল মঙ্গলবার ইসলামাবাদ পৌঁছাতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, আগের বৈঠকে অংশ নেওয়া দলই এবারও আসবে, যার নেতৃত্বে থাকতে পারেন বাঘের গালিবাফ এবং সঙ্গে থাকতে পারেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকতে পারেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তার সঙ্গে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও ওয়াশিংটন এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সময়সূচি প্রকাশ করেনি, পাকিস্তানি সূত্রগুলো জানিয়েছে যে কিছু মার্কিন অগ্রবর্তী দল ইতোমধ্যে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসলামাবাদে প্রতিনিধিদল পাঠানোর বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এর আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক উদ্যোগের পক্ষে মত দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অবিশ্বাস বজায় রাখার কথা বলেছেন।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরান সেখানে চলাচলে কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, আর যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ জারি রেখেছে। রোববার একটি ইরানি জাহাজ জব্দ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।
সম্ভাব্য এই আলোচনাকে ঘিরে পাকিস্তানও নিরাপত্তা জোরদার করেছে। ইসলামাবাদের পাশাপাশি রাওয়ালপিন্ডিতেও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১-১২ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা ১৯৭৯ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর প্রথম এমন যোগাযোগ ছিল। তবে সেই বৈঠক প্রত্যাশিত ফল দেয়নি। বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে যে নাজুক যুদ্ধবিরতি চলছে, সেটি বুধবার শেষ হওয়ার কথা।
সাম্প্রতিক ঘটনায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন নৌবাহিনী ওমান উপসাগরে একটি ইরানি জাহাজ আটক করেছে। এর পরপরই ইরান দ্রুত প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবং এই ঘটনাকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।