চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বন্ধুর জন্য কবর খুঁড়তে গিয়ে সেই কবরই লুটিয়ে পড়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আরেক বন্ধু। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার কেরোয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন: একই এলাকার আবুল হাশেম রাঢ়ী (৯০) ও বাচ্চু পাটওয়ারী (৮৫)।
এ বিষয়ে আবুল হাশেমের প্রতিবেশী মুমিন হোসেন পাটওয়ারী ও ইব্রাহিম খলিলসহ আরও বেশ কয়েকজন জানান, দুই বন্ধুর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। একজন ছিলেন কাঠমিস্ত্রি। আরেকজন মসজিদের মুয়াজ্জিন। একসঙ্গে চলাফেরা, বসে গল্প করা। আবার একসঙ্গেই মৃত ব্যক্তিদের কবর খুঁড়তেন তারা। তাদের দুজনের কবর খোঁড়ার সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতেও বাড়ির সামনের দোকানে একসঙ্গে বসে চা খেয়েছেন তারা। শুধু তাই নয়, আজ সোমবারও একসঙ্গে মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করেছেন। কিন্তু তার কয়েক ঘণ্টা পর তাদের একজন বাচ্চু পাটোয়ারী বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যায়। বন্ধুর এমন মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে দাফনের জন্য অপর বন্ধু আবুল হাশেম কবর খুঁড়ছিলেন। এ সময় তিনি সেই কবরেই লুটিয়ে পড়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেন।
এ বিষয়ে আবুল হাশেমের ছেলে জহির হোসেন বলেন, ‘বাবা ও প্রতিবেশী চাচা দুজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। একসঙ্গেই সময় কাটাতেন এবং মানুষের মৃত্যু হলে জান্নাতের আশায় দুজনেই বিনা পারিশ্রমিকে কবর খুঁড়ে দিতেন। আজ সকালে আমার বাবার বন্ধু বাচ্চু পাটোয়ারী চাচা মারা যান। বাবা কিছুক্ষণ কান্না করে তারপর বন্ধুর কবর খুঁড়তে গোরস্থানে যান।’
তিনি আরও জানান, তার জানামতে তারা উভয়েই এই অঞ্চলের শতাধিক কবর খুঁড়েছেন। কিন্তু বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে তিনি নিজেই কবরের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন। বাদ জোহর দুজনের জানাজা শেষে আলাদাভাবে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। আমার বাবা ও চাচার জন্য দোয়া কামনা করছি।
অন্যদিকে, বাচ্চু পাটোয়ারীর ভাতিজা হুমায়ুন পাটোয়ারী বলেন, ‘আবুল হাশেম চাচাসহ বাচ্চু চাচার কবর খুঁড়ছিলাম। কবর খোঁড়ার শেষ পর্যায়ে হঠাৎ করেই হাশেম কাকা কবরে শুয়ে পড়েন। পরে তাড়াহুড়ো করে ওপরে উঠিয়ে দেখি তিনি নেই।’
এ বিষয়ে স্থানীয় রাসেল, আবু তাহেরসহ অনেকেই জানান, দুই বন্ধু ভিন্ন পেশার হলেও তাদের চলাফেরা ছিলো একসঙ্গে। তাদের দুজনের এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মৃতরা হলেন: একই এলাকার আবুল হাশেম রাঢ়ী (৯০) ও বাচ্চু পাটওয়ারী (৮৫)।
এ বিষয়ে আবুল হাশেমের প্রতিবেশী মুমিন হোসেন পাটওয়ারী ও ইব্রাহিম খলিলসহ আরও বেশ কয়েকজন জানান, দুই বন্ধুর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। একজন ছিলেন কাঠমিস্ত্রি। আরেকজন মসজিদের মুয়াজ্জিন। একসঙ্গে চলাফেরা, বসে গল্প করা। আবার একসঙ্গেই মৃত ব্যক্তিদের কবর খুঁড়তেন তারা। তাদের দুজনের কবর খোঁড়ার সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতেও বাড়ির সামনের দোকানে একসঙ্গে বসে চা খেয়েছেন তারা। শুধু তাই নয়, আজ সোমবারও একসঙ্গে মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করেছেন। কিন্তু তার কয়েক ঘণ্টা পর তাদের একজন বাচ্চু পাটোয়ারী বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যায়। বন্ধুর এমন মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে দাফনের জন্য অপর বন্ধু আবুল হাশেম কবর খুঁড়ছিলেন। এ সময় তিনি সেই কবরেই লুটিয়ে পড়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেন।
এ বিষয়ে আবুল হাশেমের ছেলে জহির হোসেন বলেন, ‘বাবা ও প্রতিবেশী চাচা দুজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। একসঙ্গেই সময় কাটাতেন এবং মানুষের মৃত্যু হলে জান্নাতের আশায় দুজনেই বিনা পারিশ্রমিকে কবর খুঁড়ে দিতেন। আজ সকালে আমার বাবার বন্ধু বাচ্চু পাটোয়ারী চাচা মারা যান। বাবা কিছুক্ষণ কান্না করে তারপর বন্ধুর কবর খুঁড়তে গোরস্থানে যান।’
তিনি আরও জানান, তার জানামতে তারা উভয়েই এই অঞ্চলের শতাধিক কবর খুঁড়েছেন। কিন্তু বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে তিনি নিজেই কবরের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন। বাদ জোহর দুজনের জানাজা শেষে আলাদাভাবে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। আমার বাবা ও চাচার জন্য দোয়া কামনা করছি।
অন্যদিকে, বাচ্চু পাটোয়ারীর ভাতিজা হুমায়ুন পাটোয়ারী বলেন, ‘আবুল হাশেম চাচাসহ বাচ্চু চাচার কবর খুঁড়ছিলাম। কবর খোঁড়ার শেষ পর্যায়ে হঠাৎ করেই হাশেম কাকা কবরে শুয়ে পড়েন। পরে তাড়াহুড়ো করে ওপরে উঠিয়ে দেখি তিনি নেই।’
এ বিষয়ে স্থানীয় রাসেল, আবু তাহেরসহ অনেকেই জানান, দুই বন্ধু ভিন্ন পেশার হলেও তাদের চলাফেরা ছিলো একসঙ্গে। তাদের দুজনের এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।