বিপক্ষের পেনাল্টি বক্সে এখনও একই রকম ধারালো। বয়স বাড়লেও প্রভাব কমেনি এতটুকু। গতরাতে আল ওয়াসলের বিরুদ্ধে গোল করে বুঝিয়ে দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। একপেশে খেলায় কেরিয়ারের ৯৬৯তম গোল পূর্ণ করলেন পর্তুগিজ মহাতারকা। ৪-০ ব্যবধানে জিতে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ-২-এর সেমিফাইনালে উঠল আল নাসের।
শুরুতেই উজ্জ্বল রোনাল্ডো
ম্যাচের গোড়া থেকেই আক্রমণ শানাতে থাকে আল নাসের। ১১ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত প্রথম গোল। বক্সের ভিতরে সঠিক জায়গায় দাঁড়িয়ে সহজ ফিনিশে দলকে এগিয়ে দেন রোনাল্ডো। যা ম্যাচের গতিও ঠিক করে দেয়। বল দখল ও আক্রমণে এমনিতেই এগিয়ে ছিল আল নাসের। যে কারণে আল ওয়াসল চাপে পড়ে যায়।
প্রথমার্ধেই ম্যাচ প্রায় শেষ
খেলার মাঝামাঝি সময়ে ফলাফল স্পষ্ট হয়ে যায়। দ্রুত দুই গোল করে ব্যবধান বাড়ায় আল নাসের। কর্নার থেকে হেড করে বল জালে জড়ান মার্টিনেজ। এরপর ডিফেন্সের ভুল কাজে লাগিয়ে আব্দুলেলাহ আল আমরি করেন তৃতীয় গোল। যার ফলে ম্যাচ প্রায় একপেশে হয়ে যায়। আল ওয়াসল পাল্টা আক্রমণেও খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ
দ্বিতীয়ার্ধে গতি পুরোপুরি আল নাসেরের নিয়ন্ত্রণে। মাঝমাঠে মার্সেলো ব্রজোভিচ খেলার ছন্দ ধরে রাখেন। আল ওয়াসল আক্রমণের চেষ্টা করলেও কাজে দেয়নি। গোলকিপার বেন্টোও খুব বেশি পরীক্ষার মুখে পড়েননি। উলটে রোনাল্ডো দ্বিতীয় গোলের কাছাকাছি পৌঁছে যান, তবে সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। পরে ফিটনেসের কথা মাথায় রেখে তাঁকে তুলে নেওয়া হয়।
সিলমোহর মানের
তিন গোল জয়ের জন্য যথষ্ট ছিল ঠিকই। তবু ব্যবধান বাড়াতে তেড়েফুঁড়ে খেলে চলে আল নাসের। ৮০ মিনিটে আসে চতুর্থ গোল। সাদিও মানে (Sadio Mane) থ্রু বল ধরে দুর্দান্ত ফিনিশে কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন। ৪-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আল নাসের। আপাতত সেমিফাইনালে জায়গা পাকা।
অন্যদিকে রোনাল্ডোর ৯৬৯তম গোল তাঁকে হাজার গোলের মাইলস্টোনের আরও কাছে নিয়ে গেল। দলগত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত রেকর্ড—দুটোই এই ম্যাচে উজ্জ্বল।
শুরুতেই উজ্জ্বল রোনাল্ডো
ম্যাচের গোড়া থেকেই আক্রমণ শানাতে থাকে আল নাসের। ১১ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত প্রথম গোল। বক্সের ভিতরে সঠিক জায়গায় দাঁড়িয়ে সহজ ফিনিশে দলকে এগিয়ে দেন রোনাল্ডো। যা ম্যাচের গতিও ঠিক করে দেয়। বল দখল ও আক্রমণে এমনিতেই এগিয়ে ছিল আল নাসের। যে কারণে আল ওয়াসল চাপে পড়ে যায়।
প্রথমার্ধেই ম্যাচ প্রায় শেষ
খেলার মাঝামাঝি সময়ে ফলাফল স্পষ্ট হয়ে যায়। দ্রুত দুই গোল করে ব্যবধান বাড়ায় আল নাসের। কর্নার থেকে হেড করে বল জালে জড়ান মার্টিনেজ। এরপর ডিফেন্সের ভুল কাজে লাগিয়ে আব্দুলেলাহ আল আমরি করেন তৃতীয় গোল। যার ফলে ম্যাচ প্রায় একপেশে হয়ে যায়। আল ওয়াসল পাল্টা আক্রমণেও খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ
দ্বিতীয়ার্ধে গতি পুরোপুরি আল নাসেরের নিয়ন্ত্রণে। মাঝমাঠে মার্সেলো ব্রজোভিচ খেলার ছন্দ ধরে রাখেন। আল ওয়াসল আক্রমণের চেষ্টা করলেও কাজে দেয়নি। গোলকিপার বেন্টোও খুব বেশি পরীক্ষার মুখে পড়েননি। উলটে রোনাল্ডো দ্বিতীয় গোলের কাছাকাছি পৌঁছে যান, তবে সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। পরে ফিটনেসের কথা মাথায় রেখে তাঁকে তুলে নেওয়া হয়।
সিলমোহর মানের
তিন গোল জয়ের জন্য যথষ্ট ছিল ঠিকই। তবু ব্যবধান বাড়াতে তেড়েফুঁড়ে খেলে চলে আল নাসের। ৮০ মিনিটে আসে চতুর্থ গোল। সাদিও মানে (Sadio Mane) থ্রু বল ধরে দুর্দান্ত ফিনিশে কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন। ৪-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আল নাসের। আপাতত সেমিফাইনালে জায়গা পাকা।
অন্যদিকে রোনাল্ডোর ৯৬৯তম গোল তাঁকে হাজার গোলের মাইলস্টোনের আরও কাছে নিয়ে গেল। দলগত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত রেকর্ড—দুটোই এই ম্যাচে উজ্জ্বল।