মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। পরীক্ষায় এবার মোট শিক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ কথা জানান। এ সময়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন।
মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন।
মাহদী আমিন বলেন, এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসবেন ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ও ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রী ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন।
এবার ৩০ হাজার ৬৬৬টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেবেন।
মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে মোট শিক্ষার্থী ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন ও ছাত্রী ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন। মোট পরীক্ষা কেন্দ্র ৭৪২টি।
এছাড়া কারিগরি বোর্ডে এসএসসিতে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ জন এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন। কারিগরি বোর্ডে মোট কেন্দ্র ৬৫৩টি।
মাহদী আমিন বলেন, এসএসসি পরীক্ষা সম্পর্কিত কিছু বিষয় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের অবহিত করতে চাই। জনবান্ধব সরকার ছাত্র-ছাত্রীদের মন থেকে ‘পরীক্ষা ভীতি’ নামক শব্দটি দূর করতে চায়, সম্মানিত অভিভাবকদেরও আশ্বস্ত করতে চাই আপনারাও সন্তানদের নিয়ে অকারণে আতঙ্কিত হবেন না। পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে শান্ত স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারে, পরীক্ষা হলে এমন পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা খুব ভালোভাবে অবহিত আছি যে এবারের এসএসসি ব্যাচ করোনাজনিত কারণে প্রাথমিক ও জুনিয়র উভয় বৃত্তি পরীক্ষা বঞ্চিত হয়েছে; ফলে এবারের এসএসসি পরীক্ষা তাদের জীবনের প্রথম এবং পূর্ণ সিলেবাসের পাবলিক পরীক্ষা। সে কারণে পরীক্ষার হল যেন পরীক্ষার্থীবান্ধব থাকে সেটা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আমরা এটাও জানি বিগত জুলাই অভ্যুত্থানে এই কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা কীভাবে রাজপথে প্রতিবাদ মুখর থেকে, দেয়ালে গ্রাফিতি এঁকে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছে। তাদের এই সৃজনশীলতা পরীক্ষায় প্রতিফলিত হবে ইনশাআল্লাহ।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিরাপদ পানি, আলো ও ফ্যান, স্বাস্থ্যকর টয়লেট ও জরুরি বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন। পরীক্ষা কেন্দ্র যানজট মুক্ত রাখতে হবে। ছাত্রীদের চলাচল শতভাগ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে হবে। আইনপ্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সহিষ্ণুতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
মাহদী আমিন আরও বলেন, কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট, পরিদর্শক, ইনভিজিলেটরদের দায়িত্ব হবে পরীক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করা। অকারণে আতঙ্ক সৃষ্টি নয়। প্রশ্নপত্রের কোন অংশে দুর্বোধ্যতা থাকলে সেটা নিরসনে সহায়তা করবেন। এবারের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিগত সরকারের সময়ে প্রণীত হওয়ায়, এ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদানের সুযোগ আমাদের ছিল না।
তিনি বলেন, পরীক্ষাপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অহেতুক কঠোরতা আমাদের লক্ষ্য নয়, কোন পরীক্ষার্থী যেন তার প্রাপ্য মূল্যায়ন থেকে সামান্যতম বঞ্চিত না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা চাই পরীক্ষার্থীরা বিনা টেনশনে হাসিমুখে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসবে, শান্তি পূর্ণ পরিবেশে উত্তর পত্রে লিখবে এবং হাসিমুখে পরীক্ষা কেন্দ্র ত্যাগ করবে।
আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্মৃতি যেন একজন শিক্ষার্থীর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ স্মৃতি হয় আর পরীক্ষা ভীতি শব্দটি যেন জাদুঘরে স্থান পায় এমন শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের লক্ষ্য’ বলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ কথা জানান। এ সময়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন।
মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন।
মাহদী আমিন বলেন, এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসবেন ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ও ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রী ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন।
এবার ৩০ হাজার ৬৬৬টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেবেন।
মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে মোট শিক্ষার্থী ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন ও ছাত্রী ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন। মোট পরীক্ষা কেন্দ্র ৭৪২টি।
এছাড়া কারিগরি বোর্ডে এসএসসিতে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ জন এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন। কারিগরি বোর্ডে মোট কেন্দ্র ৬৫৩টি।
মাহদী আমিন বলেন, এসএসসি পরীক্ষা সম্পর্কিত কিছু বিষয় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের অবহিত করতে চাই। জনবান্ধব সরকার ছাত্র-ছাত্রীদের মন থেকে ‘পরীক্ষা ভীতি’ নামক শব্দটি দূর করতে চায়, সম্মানিত অভিভাবকদেরও আশ্বস্ত করতে চাই আপনারাও সন্তানদের নিয়ে অকারণে আতঙ্কিত হবেন না। পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে শান্ত স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারে, পরীক্ষা হলে এমন পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা খুব ভালোভাবে অবহিত আছি যে এবারের এসএসসি ব্যাচ করোনাজনিত কারণে প্রাথমিক ও জুনিয়র উভয় বৃত্তি পরীক্ষা বঞ্চিত হয়েছে; ফলে এবারের এসএসসি পরীক্ষা তাদের জীবনের প্রথম এবং পূর্ণ সিলেবাসের পাবলিক পরীক্ষা। সে কারণে পরীক্ষার হল যেন পরীক্ষার্থীবান্ধব থাকে সেটা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আমরা এটাও জানি বিগত জুলাই অভ্যুত্থানে এই কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা কীভাবে রাজপথে প্রতিবাদ মুখর থেকে, দেয়ালে গ্রাফিতি এঁকে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছে। তাদের এই সৃজনশীলতা পরীক্ষায় প্রতিফলিত হবে ইনশাআল্লাহ।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিরাপদ পানি, আলো ও ফ্যান, স্বাস্থ্যকর টয়লেট ও জরুরি বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন। পরীক্ষা কেন্দ্র যানজট মুক্ত রাখতে হবে। ছাত্রীদের চলাচল শতভাগ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে হবে। আইনপ্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সহিষ্ণুতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
মাহদী আমিন আরও বলেন, কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট, পরিদর্শক, ইনভিজিলেটরদের দায়িত্ব হবে পরীক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করা। অকারণে আতঙ্ক সৃষ্টি নয়। প্রশ্নপত্রের কোন অংশে দুর্বোধ্যতা থাকলে সেটা নিরসনে সহায়তা করবেন। এবারের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিগত সরকারের সময়ে প্রণীত হওয়ায়, এ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদানের সুযোগ আমাদের ছিল না।
তিনি বলেন, পরীক্ষাপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অহেতুক কঠোরতা আমাদের লক্ষ্য নয়, কোন পরীক্ষার্থী যেন তার প্রাপ্য মূল্যায়ন থেকে সামান্যতম বঞ্চিত না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা চাই পরীক্ষার্থীরা বিনা টেনশনে হাসিমুখে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসবে, শান্তি পূর্ণ পরিবেশে উত্তর পত্রে লিখবে এবং হাসিমুখে পরীক্ষা কেন্দ্র ত্যাগ করবে।
আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্মৃতি যেন একজন শিক্ষার্থীর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ স্মৃতি হয় আর পরীক্ষা ভীতি শব্দটি যেন জাদুঘরে স্থান পায় এমন শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের লক্ষ্য’ বলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।