দেশে ফিরে গেলেন আইসিইর হাতে আটক টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমেইসা

আপলোড সময় : ১৯-০৪-২০২৬ ০৯:২৭:৫৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৯-০৪-২০২৬ ০৯:২৭:৫৩ অপরাহ্ন
গত বছর মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা (আইসিই)-এর হাতে আটক হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমেইসা ওজতুর্ক অবশেষে দেশে ফিরছেন। পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করে নিজ দেশ তুরস্কে ফিরেছেন বলে শুক্রবার তার আইনজীবীরা এ তথ্য জানান।

২০২৫ সালে ছাত্র পত্রিকায় একটি মতামত নিবন্ধ সহ-লেখার কারণে যেখানে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার সমালোচনা করা হয়েছিল ওজতুর্ককে আইসিই আটক করে।

পরবর্তীতে এক বিচারক তাকে মুক্তি দেন এবং বলেন, তিনি কোনো সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বা সহিংসতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ একেবারেই নেই।

এক বিবৃতিতে ওজতুর্ক বলেন, ১৩ বছরের নিরলস অধ্যয়নের পর আমি আমার পিএইচডি সম্পন্ন করতে পেরে গর্বিত এবং নিজের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দেশে ফিরছি। যুক্তরাষ্ট্র সরকার আমার কাছ থেকে যে সময় কেড়ে নিয়েছে, তা শুধু আমার নয় সেই শিশু ও তরুণদেরও, যাদের পক্ষে আমি জীবন উৎসর্গ করেছি।
তিনি আরও বলেন, আমি আমার পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে ফিরে একজন নারী গবেষক হিসেবে আমার কর্মজীবন চালিয়ে যেতে চাই আর যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্র-নির্ধারিত সহিংসতা ও বৈরিতার মধ্যে আরও সময় নষ্ট করতে চাই না। কেবল ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে একটি মতামত নিবন্ধে স্বাক্ষর করার কারণে আমাকে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ওজতুর্ক একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন, যার ফলে তার অভিবাসন সংক্রান্ত মামলা বাতিল করা হয়েছে এবং সরকার স্বীকার করেছে যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বৈধ অবস্থানে ছিলেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে যোগাযোগ করা হয়েছে। ওজতুর্ক তাদের মধ্যে একজন, যাদের গত বছর ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থানের কারণে আইসিই আটক করেছিল।

এদের মধ্যে অন্যতম মাহমুদ খলিল, যিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সময় প্রথম আটক হওয়া ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থী। তিনি কয়েক মাস আটক ছিলেন এবং এ সময় তার প্রথম সন্তানের জন্মও মিস করেন।

যদিও ট্রাম্প প্রশাসন এখনো এসব শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, খলিল সম্প্রতি বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলস থেকে বহিষ্কারের চূড়ান্ত আদেশ পেয়েছেন। তবে ফেডারেল আদালতে চলমান আরেকটি মামলার কারণে তাকে বর্তমানে আটক বা বহিষ্কার করা যাচ্ছে না।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]