দেশে গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুমে বজ্রপাতের তীব্রতা বাড়ে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই দুর্যোগে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। গত ১১ বছরে বজ্রপাতে প্রায় ২ হাজার ৮০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ুদূষণের কারণে বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে কৃষকদের সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আষাঢ়-শ্রাবণ এলেই হাওড় অঞ্চলের আকাশের রূপ বদলে যায়। আর সেই সঙ্গে ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষকদের মনে ভর করে আতঙ্ক। বিস্তীর্ণ হাওরে কাজ করতে থাকা কৃষকরা নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার আগেই অনেক সময় বজ্রপাতের শিকার হন। দিন দিন এই ঝুঁকি বাড়ছে, বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যাও।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ইফতি খায়রুল আমিন মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বায়ুদূষণ বেড়েছে, আর এর প্রভাবেই বজ্রপাতের ঘটনা বাড়ছে।
২০১৬ সালে বজ্রপাতকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পর্যাপ্ত কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। হাওর এলাকায় এখনও স্থাপন করা হয়নি প্রয়োজনীয় আশ্রয়কেন্দ্র বা ছাউনি। আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন বলেন, নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়, তবে তা অনেক সময় মাঠপর্যায়ের কৃষকদের কাছে পৌঁছায় না।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের অনেক কৃষক আবহাওয়ার তথ্য জানতে পারেন না। তাই হাওড় এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর বজ্রপাতে গড়ে প্রায় ৩০০ মানুষ মারা যান।
সবশেষ শনিবার (১৮ এপ্রিল) একদিনেই সুনামগঞ্জে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে প্রযুক্তিনির্ভর আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অধ্যাপক ড. ইফতি খায়রুল আমিন।
আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বজ্রপাতে যত মৃত্যু ঘটে, তার বেশিরভাগই জলাভূমি অধ্যুষিত হাওর অঞ্চল-বিশেষ করে সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলায়।
আষাঢ়-শ্রাবণ এলেই হাওড় অঞ্চলের আকাশের রূপ বদলে যায়। আর সেই সঙ্গে ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষকদের মনে ভর করে আতঙ্ক। বিস্তীর্ণ হাওরে কাজ করতে থাকা কৃষকরা নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার আগেই অনেক সময় বজ্রপাতের শিকার হন। দিন দিন এই ঝুঁকি বাড়ছে, বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যাও।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ইফতি খায়রুল আমিন মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বায়ুদূষণ বেড়েছে, আর এর প্রভাবেই বজ্রপাতের ঘটনা বাড়ছে।
২০১৬ সালে বজ্রপাতকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পর্যাপ্ত কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। হাওর এলাকায় এখনও স্থাপন করা হয়নি প্রয়োজনীয় আশ্রয়কেন্দ্র বা ছাউনি। আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন বলেন, নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়, তবে তা অনেক সময় মাঠপর্যায়ের কৃষকদের কাছে পৌঁছায় না।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের অনেক কৃষক আবহাওয়ার তথ্য জানতে পারেন না। তাই হাওড় এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর বজ্রপাতে গড়ে প্রায় ৩০০ মানুষ মারা যান।
সবশেষ শনিবার (১৮ এপ্রিল) একদিনেই সুনামগঞ্জে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে প্রযুক্তিনির্ভর আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অধ্যাপক ড. ইফতি খায়রুল আমিন।
আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বজ্রপাতে যত মৃত্যু ঘটে, তার বেশিরভাগই জলাভূমি অধ্যুষিত হাওর অঞ্চল-বিশেষ করে সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলায়।