রাজশাহী নগরীতে অপহৃত এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে (১৪) উদ্ধার করেছে পরিবারের সহযোগীতায় পুলিশ।
এ ব্যপারে ভুক্তভোগীর মা নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় অভিযুক্ত জীম-সহ অজ্ঞাত ২/৩জনের নামে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-১৯, তাং-১৪-০৪-২০২৬। অভিযুক্ত জীম নগরীর রাজপাড়া থানার বহরমপুর অচিনতলা এলাকার মৃত ডাবলুর ছেলে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই নাবালিকাকে চারঘাট থানার চামটা গ্রামে অভিযুক্তের বোনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়।
এজাহারের বরাত দিয়ে নাবালিকার মা ভুক্তভোগী মোসাঃ সুইটি বেগম জানায়, মহানগরীর দেবীসিংপাড়া এলাকার বালিয়াপুকুর বিদ্যা নিকেতন-এ তার নাবালিকা মেয়ে ৮ম শ্রেণির ছাত্রী।
স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দীর্ঘদিন যাবত অভিযুক্ত জীম প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। অভিযুক্ত বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক, বিষয়টি জানার পর পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার তাকে সতর্ক করা হলেও সে বিরক্ত করা বন্ধ করেনি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত (১১ এপ্রিল) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে নাবালিকা ছাত্রী কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। কোচিং শেষে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সে বাড়ি না ফেরায়, পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে তারা জানতে পারেন ওইদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটে কোচিং থেকে ফেরার পথে অভিযুক্ত জীম ও তার সহযোগীরা নগরীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর খাসপাড়া এলাকা থেকে নাবালিকাকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।
অবশেষে ৭দিন পরে শুক্রবার ছাত্রীকে উদ্ধার করা হলেও অভিযুক্ত জীম পালিয়ে যায়।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মোঃ রবিউল ইসলাম জানায়, নাবালিকা স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে নাবালিকার শারীরিক পরিক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের (ওসিসি) ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি।
এ ব্যপারে ভুক্তভোগীর মা নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় অভিযুক্ত জীম-সহ অজ্ঞাত ২/৩জনের নামে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-১৯, তাং-১৪-০৪-২০২৬। অভিযুক্ত জীম নগরীর রাজপাড়া থানার বহরমপুর অচিনতলা এলাকার মৃত ডাবলুর ছেলে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই নাবালিকাকে চারঘাট থানার চামটা গ্রামে অভিযুক্তের বোনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়।
এজাহারের বরাত দিয়ে নাবালিকার মা ভুক্তভোগী মোসাঃ সুইটি বেগম জানায়, মহানগরীর দেবীসিংপাড়া এলাকার বালিয়াপুকুর বিদ্যা নিকেতন-এ তার নাবালিকা মেয়ে ৮ম শ্রেণির ছাত্রী।
স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দীর্ঘদিন যাবত অভিযুক্ত জীম প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। অভিযুক্ত বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক, বিষয়টি জানার পর পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার তাকে সতর্ক করা হলেও সে বিরক্ত করা বন্ধ করেনি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত (১১ এপ্রিল) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে নাবালিকা ছাত্রী কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। কোচিং শেষে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সে বাড়ি না ফেরায়, পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে তারা জানতে পারেন ওইদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটে কোচিং থেকে ফেরার পথে অভিযুক্ত জীম ও তার সহযোগীরা নগরীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর খাসপাড়া এলাকা থেকে নাবালিকাকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।
অবশেষে ৭দিন পরে শুক্রবার ছাত্রীকে উদ্ধার করা হলেও অভিযুক্ত জীম পালিয়ে যায়।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মোঃ রবিউল ইসলাম জানায়, নাবালিকা স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে নাবালিকার শারীরিক পরিক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের (ওসিসি) ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি।