রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এ অনুষ্ঠিত ‘এআই ফর বিডি টেক কার্নিভাল ২০২৬’ প্রযুক্তিপ্রেমী শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিক্সভিত্তিক উদ্ভাবন ছিল কেন্দ্রবিন্দুতে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের হলরুমে আয়োজিত দিনব্যাপী এ কার্নিভালে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে আগত ৩৯টি দল অংশ নেয়। সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীরা তাদের নিজস্বভাবে তৈরি এআই ও রোবোটিক্স প্রজেক্ট উপস্থাপন করে, যা দর্শনার্থী ও বিচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
প্রদর্শনীর সময় বিচারকমণ্ডলী প্রতিটি প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতার মাধ্যমে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া মূল্যায়ন করেন। শিক্ষার্থীরাও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাদের কাজের ব্যাখ্যা তুলে ধরে, যা পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক। তিনি তার বক্তব্যে Nelson Mandela-এর একটি উক্তি উল্লেখ করে বলেন, “আমরা কখনো হারি না; হয় আমরা জিতি, নয়তো শিখি।”
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোতে এখন থেকেই মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি নেতৃত্বগুণ ও প্রশ্ন করার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শীর্ষ তিনটি দল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেপালে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি সকল অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ডিইআইইডি প্রকল্পের প্রজেক্ট ডিরেক্টর মন্জুর শাহরিয়ার এবং রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার। তারা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও উদ্ভাবনী চর্চায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জন, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের হলরুমে আয়োজিত দিনব্যাপী এ কার্নিভালে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে আগত ৩৯টি দল অংশ নেয়। সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীরা তাদের নিজস্বভাবে তৈরি এআই ও রোবোটিক্স প্রজেক্ট উপস্থাপন করে, যা দর্শনার্থী ও বিচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
প্রদর্শনীর সময় বিচারকমণ্ডলী প্রতিটি প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতার মাধ্যমে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া মূল্যায়ন করেন। শিক্ষার্থীরাও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাদের কাজের ব্যাখ্যা তুলে ধরে, যা পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক। তিনি তার বক্তব্যে Nelson Mandela-এর একটি উক্তি উল্লেখ করে বলেন, “আমরা কখনো হারি না; হয় আমরা জিতি, নয়তো শিখি।”
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোতে এখন থেকেই মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি নেতৃত্বগুণ ও প্রশ্ন করার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শীর্ষ তিনটি দল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেপালে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি সকল অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ডিইআইইডি প্রকল্পের প্রজেক্ট ডিরেক্টর মন্জুর শাহরিয়ার এবং রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার। তারা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও উদ্ভাবনী চর্চায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জন, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।