বলিউডের ‘কুইন’ কঙ্গনা রানাউত মানেই বিতর্ক আর সোজাসাপ্টা কথা। অভিনয় দক্ষতা দিয়ে যেমন তিনি বারবার নিজেকে প্রমাণ করেছেন, তেমনই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চার শেষ নেই। সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজের অতীত এবং ‘কালো জাদু’র অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে আবারও খবরের শিরোনামে চলে এলেন এই বিজেপি সাংসদ।
পডকাস্টে নিজের জীবনের এক অন্ধকার অধ্যায় তুলে ধরে কঙ্গনা জানান, এক সময় তাঁকে আক্ষরিক অর্থেই ‘উইচ-হান্টিং’ বা ডাইনি অপবাদের শিকার হতে হয়েছিল। কঙ্গনার কথায়, “আমার এক প্রাক্তন প্রেমিক আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। কিন্তু তার চেয়েও ভয়ঙ্কর ছিল সেইসব মানুষের কথা, যারা রটিয়েছিল যে আমি নাকি ডাইনি! বলা হতো, আমি রক্ত পান করি, ঘরে কালো পর্দা টাঙিয়ে জাদুটোনা করি।”
সেই সময় কঙ্গনার বয়স ছিল মাত্র ২৬-২৭ বছর। অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সেই বয়সে যাঁরা তাঁর সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ করেছিলেন, আজ তিনি কেন তাঁদের প্রতি সদয় হবেন? এই কঠিন সময়ে তাঁর একমাত্র সহায় ছিল নিজের কাজ। বিশেষ করে ‘কুইন’ ছবির আকাশছোঁয়া সাফল্য এবং জাতীয় পুরস্কার তাঁকে মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে শক্তি দিয়েছিল।
কঙ্গনার কেরিয়ারের শুরুর দিকে শেখর সুমনের ছেলে অধ্যয়ন সুমনের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০০৮-০৯ সালে ‘রাজ: দ্য মিস্ট্রি কন্টিনিউজ’ ছবির সেটে তাঁদের আলাপ। কিন্তু সেই প্রেম স্থায়ী হয়নি, বরং শেষ হয়েছিল চরম তিক্ততার মধ্য দিয়ে।
২০১৭ সালে এই সম্পর্ক নিয়ে বিস্ফোরক সব দাবি করেছিলেন অধ্যয়ন। তিনি অভিযোগ করেন, কঙ্গনা নাকি তাঁর ওপর জাদুটোনা করার চেষ্টা করতেন। এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, 'আমাকে তো এও শুনতে হয়েছে, আমি নাকি খাবারের সঙ্গে ঋতুস্রাবের রক্ত মিশিয়ে ওকে খাইয়ে দিতাম।'
এক রাতে কালো পোশাক পরে অদ্ভুত তুকতাক করা এবং অধ্যয়নকে একটি ঘরে বন্ধ করে মন্ত্র জপ করতে বাধ্য করার অভিযোগও আনেন তিনি। এই ঘটনা নিয়ে সেই সময় আইনি লড়াই পর্যন্ত গড়িয়েছিল এবং গোটা বলিউড স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল।
পুরনো সেই ক্ষত এখন অনেকটাই ফিকে। অধ্যয়ন সুমন এখন অনেকটা পরিণত। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সেই সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর, তাই আবেগতাড়িত হয়ে অনেক কিছু ঘটেছিল। এখন তিনি আর অতীত নিয়ে পড়ে থাকতে চান না। কঙ্গনার পরিশ্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, কঙ্গনা আজ যে অবস্থানে পৌঁছেছেন, তা সম্পূর্ণ তাঁর নিজের যোগ্যতায়।
পডকাস্টে নিজের জীবনের এক অন্ধকার অধ্যায় তুলে ধরে কঙ্গনা জানান, এক সময় তাঁকে আক্ষরিক অর্থেই ‘উইচ-হান্টিং’ বা ডাইনি অপবাদের শিকার হতে হয়েছিল। কঙ্গনার কথায়, “আমার এক প্রাক্তন প্রেমিক আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। কিন্তু তার চেয়েও ভয়ঙ্কর ছিল সেইসব মানুষের কথা, যারা রটিয়েছিল যে আমি নাকি ডাইনি! বলা হতো, আমি রক্ত পান করি, ঘরে কালো পর্দা টাঙিয়ে জাদুটোনা করি।”
সেই সময় কঙ্গনার বয়স ছিল মাত্র ২৬-২৭ বছর। অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সেই বয়সে যাঁরা তাঁর সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ করেছিলেন, আজ তিনি কেন তাঁদের প্রতি সদয় হবেন? এই কঠিন সময়ে তাঁর একমাত্র সহায় ছিল নিজের কাজ। বিশেষ করে ‘কুইন’ ছবির আকাশছোঁয়া সাফল্য এবং জাতীয় পুরস্কার তাঁকে মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে শক্তি দিয়েছিল।
কঙ্গনার কেরিয়ারের শুরুর দিকে শেখর সুমনের ছেলে অধ্যয়ন সুমনের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০০৮-০৯ সালে ‘রাজ: দ্য মিস্ট্রি কন্টিনিউজ’ ছবির সেটে তাঁদের আলাপ। কিন্তু সেই প্রেম স্থায়ী হয়নি, বরং শেষ হয়েছিল চরম তিক্ততার মধ্য দিয়ে।
২০১৭ সালে এই সম্পর্ক নিয়ে বিস্ফোরক সব দাবি করেছিলেন অধ্যয়ন। তিনি অভিযোগ করেন, কঙ্গনা নাকি তাঁর ওপর জাদুটোনা করার চেষ্টা করতেন। এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, 'আমাকে তো এও শুনতে হয়েছে, আমি নাকি খাবারের সঙ্গে ঋতুস্রাবের রক্ত মিশিয়ে ওকে খাইয়ে দিতাম।'
এক রাতে কালো পোশাক পরে অদ্ভুত তুকতাক করা এবং অধ্যয়নকে একটি ঘরে বন্ধ করে মন্ত্র জপ করতে বাধ্য করার অভিযোগও আনেন তিনি। এই ঘটনা নিয়ে সেই সময় আইনি লড়াই পর্যন্ত গড়িয়েছিল এবং গোটা বলিউড স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল।
পুরনো সেই ক্ষত এখন অনেকটাই ফিকে। অধ্যয়ন সুমন এখন অনেকটা পরিণত। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সেই সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর, তাই আবেগতাড়িত হয়ে অনেক কিছু ঘটেছিল। এখন তিনি আর অতীত নিয়ে পড়ে থাকতে চান না। কঙ্গনার পরিশ্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, কঙ্গনা আজ যে অবস্থানে পৌঁছেছেন, তা সম্পূর্ণ তাঁর নিজের যোগ্যতায়।