কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন দেশ উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতা ‘উল্লেখযোগ্যভাবে’ বৃদ্ধি করছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘের পারমাণবিক তদারকি সংস্থা আইএইএ-এর প্রধান রাফায়েল গ্রোসি।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল সফরকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
গ্রোসির মতে, পিয়ংইয়ং বর্তমানে একাধিক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা পরিচালনা করছে, যা পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। বিশেষ করে ইয়ংবিয়ন পারমাণবিক কেন্দ্রের কার্যক্রম ২০২১ সালে পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে তা এখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
আইএইএ প্রধান জানান, তাদের নিয়মিত মূল্যায়নে দেখা গেছে ইয়ংবিয়ন রিঅ্যাক্টরের কার্যক্রম বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, “পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট ও লাইট-ওয়াটার রিঅ্যাক্টরের কার্যক্রম বাড়ার পাশাপাশি নতুন নতুন স্থাপনাও সক্রিয় হয়েছে।
যদিও ২০০৯ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিয়েছে কিম জং উন প্রশাসন, তবে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি নিশ্চিত হয়েছে যে ইয়ংবিয়নে একটি নতুন ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মতে, এটি একটি বিশাল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্ল্যান্ট হতে পারে।
রাশিয়া উত্তর কোরিয়ার এই নিষিদ্ধ পারমাণবিক কর্মসূচিতে কোনো প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে গ্রোসি বলেন, এ বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, যদি কোনো সহযোগিতা থেকেও থাকে, তা যেন কেবল বেসামরিক পর্যায়ের হয়।
উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সেনা ও গোলাবারুদ দিয়ে সহায়তার বিনিময়ে উত্তর কোরিয়া উন্নত সামরিক প্রযুক্তি পাচ্ছে বলে অনেকদিন ধরেই দাবি করে আসছে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
উত্তর কোরিয়ার এই ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক হুমকির মুখে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের শীর্ষ নৌবাহিনী কর্মকর্তারা সিউলে এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। সেখানে পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি মোকাবিলায় সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন আইএইএ প্রধানের সাথে বৈঠকে জানান, সিউল উত্তর কোরিয়ার সাথে শত্রুতা কমিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে চায়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল সফরকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
গ্রোসির মতে, পিয়ংইয়ং বর্তমানে একাধিক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা পরিচালনা করছে, যা পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। বিশেষ করে ইয়ংবিয়ন পারমাণবিক কেন্দ্রের কার্যক্রম ২০২১ সালে পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকে তা এখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
আইএইএ প্রধান জানান, তাদের নিয়মিত মূল্যায়নে দেখা গেছে ইয়ংবিয়ন রিঅ্যাক্টরের কার্যক্রম বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, “পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট ও লাইট-ওয়াটার রিঅ্যাক্টরের কার্যক্রম বাড়ার পাশাপাশি নতুন নতুন স্থাপনাও সক্রিয় হয়েছে।
যদিও ২০০৯ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিয়েছে কিম জং উন প্রশাসন, তবে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি নিশ্চিত হয়েছে যে ইয়ংবিয়নে একটি নতুন ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মতে, এটি একটি বিশাল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্ল্যান্ট হতে পারে।
রাশিয়া উত্তর কোরিয়ার এই নিষিদ্ধ পারমাণবিক কর্মসূচিতে কোনো প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে গ্রোসি বলেন, এ বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, যদি কোনো সহযোগিতা থেকেও থাকে, তা যেন কেবল বেসামরিক পর্যায়ের হয়।
উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সেনা ও গোলাবারুদ দিয়ে সহায়তার বিনিময়ে উত্তর কোরিয়া উন্নত সামরিক প্রযুক্তি পাচ্ছে বলে অনেকদিন ধরেই দাবি করে আসছে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
উত্তর কোরিয়ার এই ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক হুমকির মুখে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের শীর্ষ নৌবাহিনী কর্মকর্তারা সিউলে এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। সেখানে পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি মোকাবিলায় সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন আইএইএ প্রধানের সাথে বৈঠকে জানান, সিউল উত্তর কোরিয়ার সাথে শত্রুতা কমিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে চায়।