মঙ্গলবার দুপুরে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল ছত্তীসগড়ের শক্তি জেলা। ডভরা থানা এলাকার সিঙ্ঘিতরাই গ্রামে অবস্থিত ‘বেদান্ত লিমিটেড’-এর পাওয়ার প্ল্যান্টে একটি বয়লার টিউব ফেটে বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ৯ জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। জখম হয়েছেন ৪০ জনেরও বেশি মানুষ, যাঁদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বেশ কিছু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন।
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার দুপুর ২টো নাগাদ যখন প্ল্যান্টে স্বাভাবিক কাজ চলছিল, তখনই আচমকা একটি বয়লার ইউনিটে বিস্ফোরণ হয়। তীব্র শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। চারিদিকে ধোঁয়া আর আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে শ্রমিকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শক্তি জেলার পুলিশ সুপার প্রফুল্ল ঠাকুরসহ প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ।
জখম শ্রমিকদের উদ্ধার করে তড়িঘড়ি নিকটবর্তী হাসপাতালগুলিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, আহতদের অনেকেরই শরীরের ৮০ শতাংশের বেশি পুড়ে গিয়েছে। গুরুতর জখমদের মধ্যে অন্তত ১৮ জনকে রায়গড়ের ফোর্টিস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বয়লার ইউনিটের ভেতরে কেউ আটকে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। তবে বয়লারটি অত্যন্ত গরম থাকায় ভেতরে ঢুকতে বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকর্মীদের।
এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন ছত্তীসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাই এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাঘেল আহতদের সুচিকিৎসা এবং নিহতদের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
বেদান্ত পাওয়ার প্ল্যান্টের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুর্ভাগ্যজনক এই ঘটনাটি একটি সাব-কন্ট্রাক্টর সংস্থার পরিচালিত ইউনিটে ঘটেছে। বর্তমানে তাঁদের মূল লক্ষ্য হল আহতদের সেরা চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা। কীভাবে এই বয়লার টিউব ফাটল এবং নিরাপত্তা বিধিতে কোনও খামতি ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে প্ল্যান্টের বাইরে নিখোঁজ শ্রমিকদের আত্মীয়স্বজনরা ভিড় করেছেন। আপনজনদের কোনও খবর না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। চব্বিশের লোকসভা ভোটের উত্তাপের মাঝেই এই বড়সড় দুর্ঘটনা রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার দুপুর ২টো নাগাদ যখন প্ল্যান্টে স্বাভাবিক কাজ চলছিল, তখনই আচমকা একটি বয়লার ইউনিটে বিস্ফোরণ হয়। তীব্র শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। চারিদিকে ধোঁয়া আর আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে শ্রমিকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শক্তি জেলার পুলিশ সুপার প্রফুল্ল ঠাকুরসহ প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ।
জখম শ্রমিকদের উদ্ধার করে তড়িঘড়ি নিকটবর্তী হাসপাতালগুলিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, আহতদের অনেকেরই শরীরের ৮০ শতাংশের বেশি পুড়ে গিয়েছে। গুরুতর জখমদের মধ্যে অন্তত ১৮ জনকে রায়গড়ের ফোর্টিস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বয়লার ইউনিটের ভেতরে কেউ আটকে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। তবে বয়লারটি অত্যন্ত গরম থাকায় ভেতরে ঢুকতে বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকর্মীদের।
এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন ছত্তীসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাই এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাঘেল আহতদের সুচিকিৎসা এবং নিহতদের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
বেদান্ত পাওয়ার প্ল্যান্টের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুর্ভাগ্যজনক এই ঘটনাটি একটি সাব-কন্ট্রাক্টর সংস্থার পরিচালিত ইউনিটে ঘটেছে। বর্তমানে তাঁদের মূল লক্ষ্য হল আহতদের সেরা চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা। কীভাবে এই বয়লার টিউব ফাটল এবং নিরাপত্তা বিধিতে কোনও খামতি ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে প্ল্যান্টের বাইরে নিখোঁজ শ্রমিকদের আত্মীয়স্বজনরা ভিড় করেছেন। আপনজনদের কোনও খবর না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। চব্বিশের লোকসভা ভোটের উত্তাপের মাঝেই এই বড়সড় দুর্ঘটনা রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।