বয়স্ক মানুষেরা যেমন অস্থিসন্ধির ব্যথায় কষ্ট পান, তেমনই কমবয়েসিদের মধ্যেও এই ধরনের ব্যথার সমস্যা দেখা যায়। শোয়া-বসার ভুল ভঙ্গি থেকে শরীরচর্চার ধরন— এমন অনেক ছোটখাটো বিষয়ই এই সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। এমনই কয়েকটি ভুল অভ্যাস নিয়ে সতর্ক করলেন ব্যথা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাজ করা চিকিৎসক কুণাল সুদ। ভুল হয় কখন—
শরীরচর্চার ভুলভ্রান্তি: শরীরচর্চার সময় পেশিতে চোট লেগে যায়, অস্থিসন্ধিতেও ব্যথা হয়। তার কারণ, চিকিৎসক বলছেন সঠিক ভাবে গা গরম বা ওয়ার্ম আপ না করা। বেশি শ্রমসাপেক্ষ শরীরচর্চার আগে শরীরেরও প্রস্তুতির দরকার হয়। ওয়ার্ম আপ হল সেই প্রস্তুতি পর্ব। এতে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে, রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়, শরীরচর্চার সময় চোট পাওয়ার ঝুঁকি কমে।
৫ দিন শরীরচর্চার পর এক বা দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার কেউ শরীরচর্চা শুরু করলেন। প্রথম দিনেই বেশি শ্রমসাপেক্ষ ব্যায়াম করতে গেলে চোট পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। তার ফলে অস্থিসন্ধিতে ব্যথা হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ, বিরতি দিয়ে শরীরচর্চা করলে ধাপে ধাপেই করতে হবে, শরীরকে সইয়ে। আচমকা অতিরিক্ত শ্রমসাপেক্ষ শরীরচর্চা করার প্রবণতা বিপজ্জনক হতে পারে।
টানা বসে থাকা: দীর্ঘ ক্ষণ বসে থেকে কাজ বা বয়স্কদের চলাফেরা না করার অভ্যাসেও সমস্যা বাড়ে। বসে থাকলে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। হাঁটু, কোমরের নড়াচাড়া হয় না বলে সাইনোবিয়াল ফ্লুইডের (অস্থিসন্ধি পিচ্ছিল রাখতে সাহায্য করে) সঞ্চালনও কমে যায়। এই তরল তরুণাস্থি মজবুত রাখার জন্য দরকার। হাঁটাচলা করলে তা সঠিক ভাবে সারা শরীরে সরবরাহ হয়। কিন্তু তা না হলে, বা একই ভাবে বসে বা শুয়ে থাকলে পেশিও শক্ত হয়ে যায়। ফলে দেহের ভার গিয়ে পড়ে অস্থিসন্ধির উপরে। তার ফলে ব্যথা হয়।
সঠিক জুতো: ক্রমাগত উঁচু হিল পরার অভ্যাসে পায়ে ব্যথা হয়। আবার জুতোর কুশনিং ঠিক না থাকলেও তা শরীরের ভারসাম্য রাখতে পারে না, ফলে অস্থিসন্ধিতে চাপ পড়ে এবং ব্যথা হয়। হিল জুতো দীর্ঘ সময় পরে থাকলে দীর্ঘ ক্ষণ গোড়ালি উঁচু হয়ে থাকে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমন্বয় নষ্ট হয়। ব্যথা হয় অস্থিসন্ধিতে।
সাপ্লিমেন্ট: ব্যথা হতে পারে ভিটামিন এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের অভাব হলেও। হাড় যদি ক্ষয়ে যায়, যন্ত্রণা হবেই। কোলাজেন কার্টিলেজ মেটাবলিজ়মে সাহায্য করে অস্থিসন্ধির ব্যথা প্রতিরোধ করে। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহ কমায়। প্রদাহের কারণেও অনেক সময় ব্যথা বাড়ে। সে ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে, তবে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করেই।
শরীরচর্চার ভুলভ্রান্তি: শরীরচর্চার সময় পেশিতে চোট লেগে যায়, অস্থিসন্ধিতেও ব্যথা হয়। তার কারণ, চিকিৎসক বলছেন সঠিক ভাবে গা গরম বা ওয়ার্ম আপ না করা। বেশি শ্রমসাপেক্ষ শরীরচর্চার আগে শরীরেরও প্রস্তুতির দরকার হয়। ওয়ার্ম আপ হল সেই প্রস্তুতি পর্ব। এতে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে, রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়, শরীরচর্চার সময় চোট পাওয়ার ঝুঁকি কমে।
৫ দিন শরীরচর্চার পর এক বা দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার কেউ শরীরচর্চা শুরু করলেন। প্রথম দিনেই বেশি শ্রমসাপেক্ষ ব্যায়াম করতে গেলে চোট পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। তার ফলে অস্থিসন্ধিতে ব্যথা হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ, বিরতি দিয়ে শরীরচর্চা করলে ধাপে ধাপেই করতে হবে, শরীরকে সইয়ে। আচমকা অতিরিক্ত শ্রমসাপেক্ষ শরীরচর্চা করার প্রবণতা বিপজ্জনক হতে পারে।
টানা বসে থাকা: দীর্ঘ ক্ষণ বসে থেকে কাজ বা বয়স্কদের চলাফেরা না করার অভ্যাসেও সমস্যা বাড়ে। বসে থাকলে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। হাঁটু, কোমরের নড়াচাড়া হয় না বলে সাইনোবিয়াল ফ্লুইডের (অস্থিসন্ধি পিচ্ছিল রাখতে সাহায্য করে) সঞ্চালনও কমে যায়। এই তরল তরুণাস্থি মজবুত রাখার জন্য দরকার। হাঁটাচলা করলে তা সঠিক ভাবে সারা শরীরে সরবরাহ হয়। কিন্তু তা না হলে, বা একই ভাবে বসে বা শুয়ে থাকলে পেশিও শক্ত হয়ে যায়। ফলে দেহের ভার গিয়ে পড়ে অস্থিসন্ধির উপরে। তার ফলে ব্যথা হয়।
সঠিক জুতো: ক্রমাগত উঁচু হিল পরার অভ্যাসে পায়ে ব্যথা হয়। আবার জুতোর কুশনিং ঠিক না থাকলেও তা শরীরের ভারসাম্য রাখতে পারে না, ফলে অস্থিসন্ধিতে চাপ পড়ে এবং ব্যথা হয়। হিল জুতো দীর্ঘ সময় পরে থাকলে দীর্ঘ ক্ষণ গোড়ালি উঁচু হয়ে থাকে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমন্বয় নষ্ট হয়। ব্যথা হয় অস্থিসন্ধিতে।
সাপ্লিমেন্ট: ব্যথা হতে পারে ভিটামিন এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের অভাব হলেও। হাড় যদি ক্ষয়ে যায়, যন্ত্রণা হবেই। কোলাজেন কার্টিলেজ মেটাবলিজ়মে সাহায্য করে অস্থিসন্ধির ব্যথা প্রতিরোধ করে। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহ কমায়। প্রদাহের কারণেও অনেক সময় ব্যথা বাড়ে। সে ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে, তবে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করেই।