রাজশাহীর চারঘাট-বাঘার ব্যস্ততম মহাসড়ক অবরোধ করে দ্রুত রাস্তা মেরামত ও পানির ব্যবস্থার দাবিতে চারঘাট বাজারে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকবাসী। দীর্ঘ ১ ঘন্টা ধরে চলা অবরোধের মানববন্ধনের কারনে রাস্তার দুধারে যানবাহন আটকা পড়ে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। এতে করে চরম বেকায়দায় পড়ে যান এ পথে চলাচলকারী যানবাহন চালকসহ পথচারীরা। ১ ঘন্টা পরে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাহাতুল করিম মিজানের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে রাস্তা অবরোধ তুলে নেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগন।
জানা যায়, গত ১০মার্চ মাত্র ১১ হাজার টাকায় চারঘাট পৌরসভা কর্তৃপক্ষ চারঘাট বাজারেরর রাস্তার ধারে নির্মিত ড্রেন অপসারনের টেন্ডার দেন মনিরুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তিকে। যা অপসারনের সময় বেধে দেয়া হয় ২৫ মার্চ পর্যন্ত। ইতিমধ্যে টেন্ডার পাওয়া ওই ব্যাক্তি ড্রেনের স্লাবসহস বিভিন্ন সরঞ্জাম তুলে নিয়ে গেলেও ড্রেনের মাটি তুলে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে মাটি অপসারন না করে চরম ধোলায় এবং রাস্তা ছোট হয়ে যাওয়ায় চরম বেকায়দায় পড়ে যান বাজারের ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় এলাকবাসী ও এ পথে চলাচলকারী যানবাহন চালকরা।চরম যানজটে নাকাল হয়ে পড়েন তারা।
অবশেষে সোমবার বেলা ১১টায় ব্যস্ততম মহাসড়ত অবরোধ করে মানবন্ধন শুরু করেন তারা। এতে আরো বেকায় পড়ে যান চালক ও পথচারীরা। রাস্তার দৃপাশে যানবাহন আটকা পড়ে ব্যবপত জনদুর্ভোগে নাকাল হয়ে পড়েন। পরে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহাতুল করিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মঙ্গলবারের মধ্যে রাস্তায় পড়ে থাকা মাটির স্তুপ সরিয়ে পানির ব্যবস্থা নিশ্চিতের আশ্বাস দিলে রাস্তার অবরোধ তুলে নেন মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী ব্যবসায়ীরা।
উল্লেখ্য ২০২৩ সালে দুদফা সময় বাড়িয়ে ৫৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর থেকে চারঘাট-বাঘা-নাটোরের লালপুর হয়ে পাবনার ঈশ্বরদী পর্যন্ত ৫৪ কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। তবে নানা জটিলতায় আজ প্রায় ৩ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে চারঘাট বাজারের প্রায় ৫০০ মিটার ও বাঘা বাজারের প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কের কাজ। চরম গুরুত্বপুর্ন এ দুটি স্থানে যানবাহনসহ পথচারীদের চলাচল একিবারেই অযোগ্য হয়ে পড়েছে। চলতে গিয়ে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। বিকল হয়ে রাস্তার মাঝে পড়ে থাকছে যানবাহন। আর এতে চরম যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম বেকায়দায় পড়ছে এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন ও পথচারীরা। সোমবারের মানববন্ধনে দ্রুত এ দুটি স্থানে কাজ শেষ করা না হলে আরো কঠোর কর্মসুচীর হুশিয়ারী দেন চারঘাট বাজারের ব্যবসায়ীসহ স্থানীরা।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাহাতুল করিম মিজান বলেন, সড়ক বিভাগের লোকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মাটি অপসারন করে কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা।
জানা যায়, গত ১০মার্চ মাত্র ১১ হাজার টাকায় চারঘাট পৌরসভা কর্তৃপক্ষ চারঘাট বাজারেরর রাস্তার ধারে নির্মিত ড্রেন অপসারনের টেন্ডার দেন মনিরুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তিকে। যা অপসারনের সময় বেধে দেয়া হয় ২৫ মার্চ পর্যন্ত। ইতিমধ্যে টেন্ডার পাওয়া ওই ব্যাক্তি ড্রেনের স্লাবসহস বিভিন্ন সরঞ্জাম তুলে নিয়ে গেলেও ড্রেনের মাটি তুলে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে মাটি অপসারন না করে চরম ধোলায় এবং রাস্তা ছোট হয়ে যাওয়ায় চরম বেকায়দায় পড়ে যান বাজারের ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় এলাকবাসী ও এ পথে চলাচলকারী যানবাহন চালকরা।চরম যানজটে নাকাল হয়ে পড়েন তারা।
অবশেষে সোমবার বেলা ১১টায় ব্যস্ততম মহাসড়ত অবরোধ করে মানবন্ধন শুরু করেন তারা। এতে আরো বেকায় পড়ে যান চালক ও পথচারীরা। রাস্তার দৃপাশে যানবাহন আটকা পড়ে ব্যবপত জনদুর্ভোগে নাকাল হয়ে পড়েন। পরে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহাতুল করিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মঙ্গলবারের মধ্যে রাস্তায় পড়ে থাকা মাটির স্তুপ সরিয়ে পানির ব্যবস্থা নিশ্চিতের আশ্বাস দিলে রাস্তার অবরোধ তুলে নেন মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী ব্যবসায়ীরা।
উল্লেখ্য ২০২৩ সালে দুদফা সময় বাড়িয়ে ৫৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর থেকে চারঘাট-বাঘা-নাটোরের লালপুর হয়ে পাবনার ঈশ্বরদী পর্যন্ত ৫৪ কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। তবে নানা জটিলতায় আজ প্রায় ৩ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে চারঘাট বাজারের প্রায় ৫০০ মিটার ও বাঘা বাজারের প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কের কাজ। চরম গুরুত্বপুর্ন এ দুটি স্থানে যানবাহনসহ পথচারীদের চলাচল একিবারেই অযোগ্য হয়ে পড়েছে। চলতে গিয়ে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। বিকল হয়ে রাস্তার মাঝে পড়ে থাকছে যানবাহন। আর এতে চরম যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম বেকায়দায় পড়ছে এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন ও পথচারীরা। সোমবারের মানববন্ধনে দ্রুত এ দুটি স্থানে কাজ শেষ করা না হলে আরো কঠোর কর্মসুচীর হুশিয়ারী দেন চারঘাট বাজারের ব্যবসায়ীসহ স্থানীরা।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাহাতুল করিম মিজান বলেন, সড়ক বিভাগের লোকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মাটি অপসারন করে কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা।