‘কড়া চ্যালেঞ্জ’, ‘তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা’… শব্দবন্ধগুলো লঘু। ইয়ানিক সিনার বনাম কার্লোস আলকারাজের লড়াই এখন কার্যত প্রজন্মের সংঘাতে এসে দাঁড়িয়েছে। এই মহারণে এবার বাজিমাত ইতালির টেনিস তারকার। মন্টে কার্লো মাস্টার্স ফাইনালে স্ট্রেট সেটে জিতে শুধু ট্রফিই নয়, ফিরে পেলেন বিশ্বের এক নম্বরের আসনও। স্কোরলাইন—৭-৬(৫), ৬-৩। দেখতে সহজ। কিন্তু কোর্টে লড়াই ছিল টানটান।
প্রথম সেটে খেলার ফলাফল প্রায় নিশ্চিত। হাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত কন্ডিশন—দু’জনই ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। ব্রেক আদানপ্রদান হয়েছে বারবার। আলকারাজ কিছু সময়ের জন্য নিয়ন্ত্রণ তুলে নেন। ড্রপ শট, বেসলাইন উইনার—সবই প্রায় নিখুঁত। কিন্তু তীব্র চ্যালেঞ্জের মুখেও সিনার ভেঙে পড়েননি। ৬-৫ পিছিয়ে থেকে সার্ভ ধরে রাখেন। তারপর টাইব্রেকে নিজের প্রথম সার্ভকে অস্ত্র বানান। শেষ পয়েন্টে আলকারাজের ডবল ফল্ট—সেখানেই প্রথম সেট পকেটে পুরে ফেলেন সিনার। আর ঠিক এখানেই ম্যাচের ভিত তৈরি হয়ে যায়।
দ্বিতীয় সেটের শুরুতেও ছন্দে আলকারাজ। ৩-১ এগিয়ে যান। মনে হচ্ছিল খেলায় ফিরে আসবেন। ঠিক তখনই পাল্টা ঝড়। টানা চার গেম জিতে নেন সিনার। র্যালিতে নিয়ন্ত্রণ, নির্ভুল শট নির্বাচন… সব কিছুই একসঙ্গে ক্লিক করে। যার ফলে ম্যাচের গতি যায় বদলে। শেষে সার্ভ করতে নেমে কোনও ভুল করেননি। চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্টও হাতে আসে আলকারাজের ভুলে। আর লড়াই সেখানেই শেষ।
আজকের জয়ের গুরুত্ব শুধু ট্রফিতে নয়। এই প্রথম ক্লে কোর্টে মাস্টার্স জিতলেন সিনার। ফিরলেন বিশ্ব ক্রমতালিকার এক নম্বরে। কিছুদিন আগে হাতে এসেছে ‘সানশাইন ডবল’। আর এবার মন্টে কার্লো—এই কীর্তি এতদিন শুধুমাত্র নোভাক জকোভিচের ঝুলিতে ছিল। টানা চারটি মাস্টার্স ১০০০ শিরোপা… প্যারিস, ইন্ডিয়ান ওয়েলস, মায়ামির পর মন্টে কার্লো। ইয়ানিক সিনার সাফ সাফ বুঝিয়ে দিলেন, এই মুহূর্তে টেনিস দুনিয়ায় সবচেয়ে ধারাবাহিক খেলোয়াড় তিনিই।
ম্যাচ শেষে আলকারাজ সিনারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন। বলেন, ‘এই কীর্তি কতটা কঠিন, আমি নিজে বুঝেছি। তুমি যা করছ, তা অবিশ্বাস্য।’ আপাতত এ লড়াই থামছে না। বরং, আরও জোরালো হতে চলেছে। সিনার বনাম আলকারাজের ‘সিনকারাজ’ দ্বৈরথই এখন বিশ্ব টেনিসের ভবিষ্যৎ।
প্রথম সেটে খেলার ফলাফল প্রায় নিশ্চিত। হাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত কন্ডিশন—দু’জনই ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। ব্রেক আদানপ্রদান হয়েছে বারবার। আলকারাজ কিছু সময়ের জন্য নিয়ন্ত্রণ তুলে নেন। ড্রপ শট, বেসলাইন উইনার—সবই প্রায় নিখুঁত। কিন্তু তীব্র চ্যালেঞ্জের মুখেও সিনার ভেঙে পড়েননি। ৬-৫ পিছিয়ে থেকে সার্ভ ধরে রাখেন। তারপর টাইব্রেকে নিজের প্রথম সার্ভকে অস্ত্র বানান। শেষ পয়েন্টে আলকারাজের ডবল ফল্ট—সেখানেই প্রথম সেট পকেটে পুরে ফেলেন সিনার। আর ঠিক এখানেই ম্যাচের ভিত তৈরি হয়ে যায়।
দ্বিতীয় সেটের শুরুতেও ছন্দে আলকারাজ। ৩-১ এগিয়ে যান। মনে হচ্ছিল খেলায় ফিরে আসবেন। ঠিক তখনই পাল্টা ঝড়। টানা চার গেম জিতে নেন সিনার। র্যালিতে নিয়ন্ত্রণ, নির্ভুল শট নির্বাচন… সব কিছুই একসঙ্গে ক্লিক করে। যার ফলে ম্যাচের গতি যায় বদলে। শেষে সার্ভ করতে নেমে কোনও ভুল করেননি। চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্টও হাতে আসে আলকারাজের ভুলে। আর লড়াই সেখানেই শেষ।
আজকের জয়ের গুরুত্ব শুধু ট্রফিতে নয়। এই প্রথম ক্লে কোর্টে মাস্টার্স জিতলেন সিনার। ফিরলেন বিশ্ব ক্রমতালিকার এক নম্বরে। কিছুদিন আগে হাতে এসেছে ‘সানশাইন ডবল’। আর এবার মন্টে কার্লো—এই কীর্তি এতদিন শুধুমাত্র নোভাক জকোভিচের ঝুলিতে ছিল। টানা চারটি মাস্টার্স ১০০০ শিরোপা… প্যারিস, ইন্ডিয়ান ওয়েলস, মায়ামির পর মন্টে কার্লো। ইয়ানিক সিনার সাফ সাফ বুঝিয়ে দিলেন, এই মুহূর্তে টেনিস দুনিয়ায় সবচেয়ে ধারাবাহিক খেলোয়াড় তিনিই।
ম্যাচ শেষে আলকারাজ সিনারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন। বলেন, ‘এই কীর্তি কতটা কঠিন, আমি নিজে বুঝেছি। তুমি যা করছ, তা অবিশ্বাস্য।’ আপাতত এ লড়াই থামছে না। বরং, আরও জোরালো হতে চলেছে। সিনার বনাম আলকারাজের ‘সিনকারাজ’ দ্বৈরথই এখন বিশ্ব টেনিসের ভবিষ্যৎ।