লাল চোখ মানেই কনজাঙ্কটিভাইটিস ভেবে নিচ্ছেন অনেকে। চোখ ফোলা, লাল হয়ে যাওয়া, চোখ থেকে জল পড়া, পিচুটির জন্য চোখ খুলতে না পারা এবং সঙ্গে জ্বর, এই সমস্যাগুলিকে সাধারণ বলেই এড়িয়ে যাওয়া হয়। আক্রান্তদের মধ্যে যেমন স্কুলপড়ুয়ারা আছে তেমনই প্রাপ্তবয়স্কেরাও রয়েছেন। এমনকি চোখের কিছু সমস্যা ছোঁয়াচেও বটে। একজনের থেকে অন্য জনেরও হতে পারে। চিকিৎসকেরা বলছেন, চোখের কিছু সাধারণ সমস্যাও পরবর্তী সময়ে বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই চোখের যে কোনও ছোটখাটো সমস্যা এড়িয়ে গেলে চলবে না। বিশেষ করে কিছু লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক হতেই হবে। কখন বুঝবেন চোখের সমস্যা বিপজ্জনক-
হঠাৎ ঝাপসা দেখা: হঠাৎ করে এক চোখ বা দুই চোখের দৃষ্টি যদি ঝাপসা হয়ে যায়, তা হলে সতর্ক হতে হবে। ছানি পড়েনি বা চোখে আঘাত লাগেনি, কার পরেও যদি দৃষ্টি ঝাপসা হতে থাকে, তা হলে বুঝতে হবে সেটি কোনও স্নায়বিক সমস্যা বা রেটিনার অসুখের লক্ষণ হতে পারে।
চোখের সামনে ভাসমান আলোর বিন্দু: চোখের সামনে ভাসমান আলোর বিন্দু বা আলোর ঝলকের মতো দেখা গেলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। প্রায়ই যদি এই সমস্যা হয়, তা হলে সেটি রেটিনাল ডিটাচমেন্টের পূর্বলক্ষণ হতে পারে।
চোখে তীব্র ব্যথা: চোখে অসহ্য যন্ত্রণা, সেই সঙ্গে চোখ অতিরিক্ত লাল হয়ে যাওয়া এবং বমি বমি ভাব হওয়া অ্যাকিউট গ্লকোমার লক্ষণ হতে পারে। যদি ব্যথা মাঝেমধ্যেই হতে থাকে ও সঙ্গে আনুষঙ্গিক লক্ষণ দেখা দেয়, তা হলে বুঝতে হবে চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ বেড়ে গিয়েছে।
কর্নিয়ায় সাদা দাগ বা ক্ষত: চোখের কালো মণির উপর যদি কোনও সাদা বিন্দু বা দাগ দেখা দেয়, তবে তা কর্নিয়াল আলসার হতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে কর্নিয়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
চোখের পাতায় চুলকানি: চোখে চুলকানি শুরু হয়, মনে হয় চোখের পাতা ভারী হয়ে আসছে। এমন অবস্থায় অনেকেই চোখ চুলকে ফেলেন বা বারে বারে চোখ ঘষতে থাকেন। এতে সংক্রমণ আরও বেড়ে যায়। এটি ক্ল্যামিডিয়া ট্র্যাকোমাইটিস নামে এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণে হতে পারে। সংক্রমণ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেলে দৃষ্টিশক্তি চলেও যেতে পারে।
চোখ নাচা: এক চোখ বা দুই চোখেই যদি মাঝেমধ্যেই তীব্র কম্পন হয়, মনে হয় যে চোখ লাফাচ্ছে, তা হলে সতর্ক হতে হবে। অনেকেই ভাবেন এক চোখ কাঁপা মানেই তা দুর্ভাগ্যের লক্ষণ। তা একেবারেই নয়। এটি মায়োকেমিয়া নামে এক ধরনের রোগের লক্ষণ হতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে ডিজিটাল পর্দায় চোখ, অনিদ্রা বা কম ঘুম, অতিরিক্ত চা-কফি বা অ্যালকোহল পান করলে এমন সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
হঠাৎ ঝাপসা দেখা: হঠাৎ করে এক চোখ বা দুই চোখের দৃষ্টি যদি ঝাপসা হয়ে যায়, তা হলে সতর্ক হতে হবে। ছানি পড়েনি বা চোখে আঘাত লাগেনি, কার পরেও যদি দৃষ্টি ঝাপসা হতে থাকে, তা হলে বুঝতে হবে সেটি কোনও স্নায়বিক সমস্যা বা রেটিনার অসুখের লক্ষণ হতে পারে।
চোখের সামনে ভাসমান আলোর বিন্দু: চোখের সামনে ভাসমান আলোর বিন্দু বা আলোর ঝলকের মতো দেখা গেলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। প্রায়ই যদি এই সমস্যা হয়, তা হলে সেটি রেটিনাল ডিটাচমেন্টের পূর্বলক্ষণ হতে পারে।
চোখে তীব্র ব্যথা: চোখে অসহ্য যন্ত্রণা, সেই সঙ্গে চোখ অতিরিক্ত লাল হয়ে যাওয়া এবং বমি বমি ভাব হওয়া অ্যাকিউট গ্লকোমার লক্ষণ হতে পারে। যদি ব্যথা মাঝেমধ্যেই হতে থাকে ও সঙ্গে আনুষঙ্গিক লক্ষণ দেখা দেয়, তা হলে বুঝতে হবে চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ বেড়ে গিয়েছে।
কর্নিয়ায় সাদা দাগ বা ক্ষত: চোখের কালো মণির উপর যদি কোনও সাদা বিন্দু বা দাগ দেখা দেয়, তবে তা কর্নিয়াল আলসার হতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে কর্নিয়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
চোখের পাতায় চুলকানি: চোখে চুলকানি শুরু হয়, মনে হয় চোখের পাতা ভারী হয়ে আসছে। এমন অবস্থায় অনেকেই চোখ চুলকে ফেলেন বা বারে বারে চোখ ঘষতে থাকেন। এতে সংক্রমণ আরও বেড়ে যায়। এটি ক্ল্যামিডিয়া ট্র্যাকোমাইটিস নামে এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণে হতে পারে। সংক্রমণ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেলে দৃষ্টিশক্তি চলেও যেতে পারে।
চোখ নাচা: এক চোখ বা দুই চোখেই যদি মাঝেমধ্যেই তীব্র কম্পন হয়, মনে হয় যে চোখ লাফাচ্ছে, তা হলে সতর্ক হতে হবে। অনেকেই ভাবেন এক চোখ কাঁপা মানেই তা দুর্ভাগ্যের লক্ষণ। তা একেবারেই নয়। এটি মায়োকেমিয়া নামে এক ধরনের রোগের লক্ষণ হতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে ডিজিটাল পর্দায় চোখ, অনিদ্রা বা কম ঘুম, অতিরিক্ত চা-কফি বা অ্যালকোহল পান করলে এমন সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।