রাজশাহী মহানগরীতে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ চারজন মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে এয়ারপোর্ট থানার বায়া মধ্যপাড়া এলাকা ও রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর আইডি বাগানপাড়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীরা হলেন- কর্ণহার থানার সাহাপুর গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে মো: জীবন (৪৬); একই থানার তেতুলিয়া রিফুজিপাড়া গ্রামের মৃত আতাহার আলীর ছেলে মো: সেলিম রেজা ওরফে রাজু (২৮); একই থানার উত্তর লক্ষীপুর গ্রামের মো: হাসিমুদ্দিনের ছেলে মো: জিয়াউর রহমান (৩৭) এবং রাজপাড়া থানার শ্রীরামপুর গ্রামের মো: শাহ আলমের ছেলে মো: ইমরান (২২)। সকলেই বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীতে বসবাস করেন।
সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, মাদক কারবারীদের দেহ তল্লাশি করে জীবনের কাছ থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা এবং রাজু ও জিয়াউর মাদক বিক্রয়ের কাজে জীবনকে দীর্ঘদিন ধরে সহযোগীতা করে আসছিলেন। অন্যদিকে ইমরানের দেহ তল্লাশি করে ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি জীবনের বিরুদ্ধে আরএমপি’র কর্ণহার থানায় ১টি পেনাল কোড মামলা এবং রাজুর বিরুদ্ধে আরএমপি’র পবা ও কর্ণহার থানায় ২টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে এয়ারপোর্ট থানার বায়া মধ্যপাড়া এলাকা ও রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর আইডি বাগানপাড়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীরা হলেন- কর্ণহার থানার সাহাপুর গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে মো: জীবন (৪৬); একই থানার তেতুলিয়া রিফুজিপাড়া গ্রামের মৃত আতাহার আলীর ছেলে মো: সেলিম রেজা ওরফে রাজু (২৮); একই থানার উত্তর লক্ষীপুর গ্রামের মো: হাসিমুদ্দিনের ছেলে মো: জিয়াউর রহমান (৩৭) এবং রাজপাড়া থানার শ্রীরামপুর গ্রামের মো: শাহ আলমের ছেলে মো: ইমরান (২২)। সকলেই বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীতে বসবাস করেন।
সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, মাদক কারবারীদের দেহ তল্লাশি করে জীবনের কাছ থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা এবং রাজু ও জিয়াউর মাদক বিক্রয়ের কাজে জীবনকে দীর্ঘদিন ধরে সহযোগীতা করে আসছিলেন। অন্যদিকে ইমরানের দেহ তল্লাশি করে ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি জীবনের বিরুদ্ধে আরএমপি’র কর্ণহার থানায় ১টি পেনাল কোড মামলা এবং রাজুর বিরুদ্ধে আরএমপি’র পবা ও কর্ণহার থানায় ২টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে।