শিগগিরই আসছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি। এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য এমপিওভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা জানাতে ই-রিকুইজিশন জমা দেওয়ার সময়সীমা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনটিআরসিএ।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৫ এপ্রিল রাত ১২টার মধ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদেরকে তাদের শিক্ষক চাহিদা অনলাইনে জমা দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ। এর আগে, ই-রিকুইজিশন জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল ৩১ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৯ম শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এমপিওভুক্ত শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সৃষ্ট শূন্যপদের চাহিদাই বিবেচনায় নেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ৭ম নিয়োগ সুপারিশ (বিশেষ) বিজ্ঞপ্তির সময় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের ই-রেজিস্ট্রেশন হালনাগাদ সম্পন্ন করেছিল, শুধু তারাই বর্ধিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে ই-রিকুইজিশন জমা দিতে পারবে।
ই-রিকুইজিশন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই অফলাইন, হার্ডকপি বা ই-মেইলের মাধ্যমে চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না।
এনটিআরসিএর আইন ২০০৫ ও সংশ্লিষ্ট পরিপত্র অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শূন্যপদের ক্ষেত্রে ই-রিকুইজিশন করা বাধ্যতামূলক। অন্যথায় প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও সুবিধা বাতিল করা হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে। এ জন্য http://ngi.teletalk.com.bd অথবা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে ‘ই-রিকুইজিশন’ সেবার মাধ্যমে লগইন করে আবেদন করা যাবে। ফরম পূরণের সময় এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশিকা অনুসরণ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৫ এপ্রিল রাত ১২টার মধ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদেরকে তাদের শিক্ষক চাহিদা অনলাইনে জমা দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ। এর আগে, ই-রিকুইজিশন জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল ৩১ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৯ম শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এমপিওভুক্ত শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সৃষ্ট শূন্যপদের চাহিদাই বিবেচনায় নেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ৭ম নিয়োগ সুপারিশ (বিশেষ) বিজ্ঞপ্তির সময় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের ই-রেজিস্ট্রেশন হালনাগাদ সম্পন্ন করেছিল, শুধু তারাই বর্ধিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে ই-রিকুইজিশন জমা দিতে পারবে।
ই-রিকুইজিশন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই অফলাইন, হার্ডকপি বা ই-মেইলের মাধ্যমে চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না।
এনটিআরসিএর আইন ২০০৫ ও সংশ্লিষ্ট পরিপত্র অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শূন্যপদের ক্ষেত্রে ই-রিকুইজিশন করা বাধ্যতামূলক। অন্যথায় প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও সুবিধা বাতিল করা হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে। এ জন্য http://ngi.teletalk.com.bd অথবা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে ‘ই-রিকুইজিশন’ সেবার মাধ্যমে লগইন করে আবেদন করা যাবে। ফরম পূরণের সময় এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশিকা অনুসরণ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।