ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র হাইতির একটি ঐতিহাসিক দুর্গে বার্ষিক অনুষ্ঠান চলাকালীন ভয়াবহ পদদলনের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) উত্তর হাইতির মিলট এলাকায় অবস্থিত ইউনেস্কো স্বীকৃত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট 'লাফেরিয়ার সিটাডেল'-এ এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইতির সিভিল প্রোটেকশন বিভাগের প্রধান জঁ হেনরি পেটিট জানান, উনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত এই ঐতিহাসিক দুর্গটি পরিদর্শনের জন্য শনিবার বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও পর্যটক সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। দুর্গের প্রবেশপথে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ হুড়োহুড়ি শুরু হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ঘটনার সময় আকস্মিক বৃষ্টি শুরু হলে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি শুরু করে, যা পরিস্থিতিকে আরও শোচনীয় করে তোলে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ের ফিল-আইমে এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, "একটি পর্যটন ইভেন্টে অনেক তরুণ-তরুণীর উপস্থিতিতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। সরকার শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর পাশে আছে।"
হাইতির সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ইমানুয়েল মেনার্ড জানিয়েছেন, আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং উদ্ধারকারী দল নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই ঐতিহাসিক দুর্গটি পর্যটকদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৮০৪ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর হাইতির স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে এই বিশাল দুর্গটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গ্যাং সহিংসতার মধ্য দিয়ে যাওয়া হাইতিতে এই ধরনের বড় জনসমাগমপূর্ণ অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) উত্তর হাইতির মিলট এলাকায় অবস্থিত ইউনেস্কো স্বীকৃত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট 'লাফেরিয়ার সিটাডেল'-এ এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইতির সিভিল প্রোটেকশন বিভাগের প্রধান জঁ হেনরি পেটিট জানান, উনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত এই ঐতিহাসিক দুর্গটি পরিদর্শনের জন্য শনিবার বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও পর্যটক সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। দুর্গের প্রবেশপথে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ হুড়োহুড়ি শুরু হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ঘটনার সময় আকস্মিক বৃষ্টি শুরু হলে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি শুরু করে, যা পরিস্থিতিকে আরও শোচনীয় করে তোলে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ের ফিল-আইমে এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, "একটি পর্যটন ইভেন্টে অনেক তরুণ-তরুণীর উপস্থিতিতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। সরকার শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর পাশে আছে।"
হাইতির সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ইমানুয়েল মেনার্ড জানিয়েছেন, আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং উদ্ধারকারী দল নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই ঐতিহাসিক দুর্গটি পর্যটকদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৮০৪ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর হাইতির স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে এই বিশাল দুর্গটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গ্যাং সহিংসতার মধ্য দিয়ে যাওয়া হাইতিতে এই ধরনের বড় জনসমাগমপূর্ণ অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।