আরব দুনিয়ার আকাশে ফের ঘনিয়ে এল যুদ্ধের কালো মেঘ। দীর্ঘ টালবাহানার পর আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলা উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা কোনও চুক্তি ছাড়াই ভেস্তে গেছে। আর এই ব্যর্থতার পরই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে গর্জে উঠলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার সাফ জানিয়ে দিলেন, ইরানকে শেষ করতে আর যা কিছু অবশিষ্ট আছে, মার্কিন সেনাবাহিনী এবার সেই কাজটুকুও শেষ করবে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম দুই দেশের মধ্যে পাকিস্তানে এত বড় মাপের বৈঠক আয়োজিত হয়েছিল, কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। আপাতত যুদ্ধবিরতি চললেও বিশ্বনেতারা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন। দু’পক্ষকে সংযত থাকতে এবং পুনরায় কূটনীতির পথে ফেরার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা। তবে ওয়াশিংটনের সুর এখন রীতিমতো চড়া। আলোচনা শেষে পাকিস্তান থেকে বেরনোর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানকে তাদের ‘চূড়ান্ত এবং সেরা’ প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তেহরান তা গ্রহণ করেনি।
আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর নিজের সমাজমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দুটি পৃথক পোস্টে কার্যত বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ইসলামাবাদে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন বৈঠক চলেছিল। অধিকাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হলেও সব বাধা হয়ে দাঁড়ায় সেই পারমাণবিক প্রশ্ন। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরান যেহেতু পরমাণু অস্ত্র ছাড়তে নারাজ, তাই অবিলম্বে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মার্কিন নৌবাহিনী ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে চলাচলকারী সমস্ত জাহাজ অবরোধ করার প্রক্রিয়া শুরু করবে। কোনও জাহাজই সেখান দিয়ে ঢুকতে বা বেরতে পারবে না।
নিজের পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “সব পয়েন্টে মিল থাকলেও যেটা আসল পয়েন্ট - সেই নিউক্লিয়ার ইস্যুতে কথা মেলেনি। তাই অবিলম্বে মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী অবরোধ করবে।” ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারের কাছ থেকে পুরো বৈঠকের বিবরণ নিয়েছেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে ‘অসাধারণ মানুষ’ হিসেবে বর্ণনা করলেও মূল সংকট যে কাটেনি, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, অন্যান্য সব বিষয়ে সমঝোতা হওয়ার চেয়ে সামরিক অভিযান চালিয়ে ফল লাভ করা হয়তো বেশি কঠিন, কিন্তু পারমাণবিক শক্তি এমন ‘অস্থির, কঠিন এবং অনিশ্চিত’ মানুষের হাতে ছেড়ে দেওয়া কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। তিনি সাফ জানিয়েছেন, “ইরান কখনই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না।”
দীর্ঘ বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদের - মহম্মদ-বাঘের গালিবাফ, আব্বাস আরাঘচি এবং আলি বাঘেরির ব্যক্তিগত সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হলেও তাতে দেশের মূল অবস্থানে কোনও পরিবর্তন আসেনি। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা উত্তেজনার পর এই বৈঠক ঘিরে আশার আলো দেখা গিয়েছিল, কিন্তু ট্রাম্পের ‘অবরোধ’-এর সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্য আবারও এক ভয়াবহ সংঘাতের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেল।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম দুই দেশের মধ্যে পাকিস্তানে এত বড় মাপের বৈঠক আয়োজিত হয়েছিল, কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। আপাতত যুদ্ধবিরতি চললেও বিশ্বনেতারা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন। দু’পক্ষকে সংযত থাকতে এবং পুনরায় কূটনীতির পথে ফেরার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা। তবে ওয়াশিংটনের সুর এখন রীতিমতো চড়া। আলোচনা শেষে পাকিস্তান থেকে বেরনোর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানকে তাদের ‘চূড়ান্ত এবং সেরা’ প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তেহরান তা গ্রহণ করেনি।
আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর নিজের সমাজমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দুটি পৃথক পোস্টে কার্যত বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ইসলামাবাদে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন বৈঠক চলেছিল। অধিকাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হলেও সব বাধা হয়ে দাঁড়ায় সেই পারমাণবিক প্রশ্ন। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরান যেহেতু পরমাণু অস্ত্র ছাড়তে নারাজ, তাই অবিলম্বে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মার্কিন নৌবাহিনী ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে চলাচলকারী সমস্ত জাহাজ অবরোধ করার প্রক্রিয়া শুরু করবে। কোনও জাহাজই সেখান দিয়ে ঢুকতে বা বেরতে পারবে না।
নিজের পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “সব পয়েন্টে মিল থাকলেও যেটা আসল পয়েন্ট - সেই নিউক্লিয়ার ইস্যুতে কথা মেলেনি। তাই অবিলম্বে মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী অবরোধ করবে।” ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারের কাছ থেকে পুরো বৈঠকের বিবরণ নিয়েছেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে ‘অসাধারণ মানুষ’ হিসেবে বর্ণনা করলেও মূল সংকট যে কাটেনি, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, অন্যান্য সব বিষয়ে সমঝোতা হওয়ার চেয়ে সামরিক অভিযান চালিয়ে ফল লাভ করা হয়তো বেশি কঠিন, কিন্তু পারমাণবিক শক্তি এমন ‘অস্থির, কঠিন এবং অনিশ্চিত’ মানুষের হাতে ছেড়ে দেওয়া কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। তিনি সাফ জানিয়েছেন, “ইরান কখনই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না।”
দীর্ঘ বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধিদের - মহম্মদ-বাঘের গালিবাফ, আব্বাস আরাঘচি এবং আলি বাঘেরির ব্যক্তিগত সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হলেও তাতে দেশের মূল অবস্থানে কোনও পরিবর্তন আসেনি। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা উত্তেজনার পর এই বৈঠক ঘিরে আশার আলো দেখা গিয়েছিল, কিন্তু ট্রাম্পের ‘অবরোধ’-এর সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্য আবারও এক ভয়াবহ সংঘাতের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেল।