রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর ভাটপাড়া কামালখাঁর মোড় এলাকায় অবৈধভাবে আরও একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার গভীর রাতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন যুবকের প্রহরায় পুকুর ভরাটের কাজ চলছিল, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুকুরটির মালিক মিলন| তবে পুকুরটি মাসুদ নামের এক ব্যক্তিকে দিয়ে ভরাট করাচ্ছেন।
তারা আরও বলে, নগরীর রাজপাড়া থানার অদূরেই এই কার্যক্রম চলছে| তারা দাবি করেন, স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল রাতের আঁধারে পুকুরটি ভরাট করাছেন।
এলাকাবাসী আরও জানান, এই থানা এলাকায় ইতোমধ্যে একটি পুকুর ভরাট হয়েছে। এটি দ্বিতীয় ঘটনা| ফলে নগরীর জলাধার হারিয়ে যাওয়ায় পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, একদিকে সভা-সেমিনারে পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কথা বলা হয়ে থাকে, অন্যদিকে বাস্তবে নগরীর পুকুরগুলো একের পর এক ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ভরাকৃত পুকুর পূণরায় খননের দাবি জানান তারা।
পরিবেশবিদরা বলছেন, নগরীর পুকুর ও জলাধার বৃষ্টির পানি ধারণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অবৈধভাবে এসব পুকুর ভরাট হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে শহরের রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ভোগান্তিতে পড়ে নগরবাসী। একইসঙ্গে গ্রামাঞ্চলে তিন ফসলি জমিতে অপরিকল্পিত পুকুর একাধীক পুকুর খনন অব্যাহত রয়েছে। ফলে বর্ষায় ফসলের ক্ষতিও বাড়ছে।
এলাকাবাসী জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুকুরটি পুনরায় খননের দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যপারে পুকুর মালিকের ছেলে মাসুমের মুঠো ফোনে একাধীকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম কবির জানান, পুকুর ভরাটের বিষয়টি আমার জানা নেই| খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি বলেও জানান তিনি| পক্ষ থেকে গোলাম তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), মোঃ মহিনুল হাসান। তিনি জানান, পুকুর ভরাটের বিষয়টি আমি জেনেছি। ইতিমধ্যে একজন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানান তিনি।
শনিবার গভীর রাতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন যুবকের প্রহরায় পুকুর ভরাটের কাজ চলছিল, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুকুরটির মালিক মিলন| তবে পুকুরটি মাসুদ নামের এক ব্যক্তিকে দিয়ে ভরাট করাচ্ছেন।
তারা আরও বলে, নগরীর রাজপাড়া থানার অদূরেই এই কার্যক্রম চলছে| তারা দাবি করেন, স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল রাতের আঁধারে পুকুরটি ভরাট করাছেন।
এলাকাবাসী আরও জানান, এই থানা এলাকায় ইতোমধ্যে একটি পুকুর ভরাট হয়েছে। এটি দ্বিতীয় ঘটনা| ফলে নগরীর জলাধার হারিয়ে যাওয়ায় পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, একদিকে সভা-সেমিনারে পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কথা বলা হয়ে থাকে, অন্যদিকে বাস্তবে নগরীর পুকুরগুলো একের পর এক ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ভরাকৃত পুকুর পূণরায় খননের দাবি জানান তারা।
পরিবেশবিদরা বলছেন, নগরীর পুকুর ও জলাধার বৃষ্টির পানি ধারণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অবৈধভাবে এসব পুকুর ভরাট হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে শহরের রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ভোগান্তিতে পড়ে নগরবাসী। একইসঙ্গে গ্রামাঞ্চলে তিন ফসলি জমিতে অপরিকল্পিত পুকুর একাধীক পুকুর খনন অব্যাহত রয়েছে। ফলে বর্ষায় ফসলের ক্ষতিও বাড়ছে।
এলাকাবাসী জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুকুরটি পুনরায় খননের দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যপারে পুকুর মালিকের ছেলে মাসুমের মুঠো ফোনে একাধীকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম কবির জানান, পুকুর ভরাটের বিষয়টি আমার জানা নেই| খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি বলেও জানান তিনি| পক্ষ থেকে গোলাম তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), মোঃ মহিনুল হাসান। তিনি জানান, পুকুর ভরাটের বিষয়টি আমি জেনেছি। ইতিমধ্যে একজন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানান তিনি।