ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারী ইয়াসমিনের হত্যাকারীকে ‘পশু’ বললেন ট্রাম্প

আপলোড সময় : ১০-০৪-২০২৬ ০৮:৫৮:৪০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১০-০৪-২০২৬ ০৮:৫৮:৪০ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার একটি গ্যাস স্টেশনের বাইরে বাংলাদেশি অভিবাসী নারী নিলুফা ইয়াসমিনের হত্যাকারীকে'পশু' বলে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার অভিবাসন নিয়ে বক্তব্যের ধরনকে ঘিরে এবং গ্রাফিক ও আনসেন্সরড ভিডিও পোস্ট করার কারণে সমালোচনার মুখেও পড়েছেন তিনি।

২ এপ্রিল ফোর্ট মায়ার্সে ধারণ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বাংলাদেশি অভিবাসী নিলুফা ইয়াসমিন নামে এক দোকানকর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, সন্দেহভাজন হামলাকারী রোলবার্ট জোয়াচিন, যিনি গৃহহীন এক হাইতিয়ান অভিবাসী।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্প তাকে 'অবৈধ অভিবাসী' ও 'পশু' বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন, বাইডেন প্রশাসনের সময় হাইতিয়ানদের অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা (টিপিএস) দেওয়া হয়েছিল। তিনি ভিডিওটিকে 'আপনি জীবনে দেখবেন এমন সবচেয়ে নৃশংস ঘটনার একটি' বলে উল্লেখ করেন। এর আগে স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগভিডিওটির একটি ঝাপসা সংস্করণ প্রকাশ করেছিল।

দ্য গার্ডিয়ানের মতে, এই পোস্টটি ট্রাম্পের একটি পরিচিত ধারার অংশ তিনি বারবার সহিংস অপরাধের ঘটনাকে অভিবাসনের সঙ্গে যুক্ত করে তুলে ধরেছেন, যা অনেক সময় সঠিক নয়। উদাহরণস্বরূপ, স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি নর্থ ক্যারোলিনায় ইউক্রেনীয় অভিবাসী ইরিনা জারুতস্কার হত্যাকাণ্ডকে 'ওপেন বর্ডার' নীতির ফল হিসেবে বর্ণনা করেন, যদিও ওই মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

এছাড়া ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প একাধিকবার হাইতিয়ানদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন, এমনকি ভুলভাবে দাবি করেন যে তারা 'ওহাইওতে পোষা প্রাণী খাচ্ছে।'

হাইতিয়ানদের অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা বাতিলের ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টা একটি ফেডারেল বিচারক আটকে দিয়েছেন। তবে ট্রাম্প যুক্তি দেন, ফ্লোরিডার এই হত্যাকাণ্ডই 'র্যাডিক্যাল বিচারকদের' তার অভিবাসন নীতিতে বাধা দেওয়া বন্ধ করার জন্য যথেষ্ট হওয়া উচিত।

সমালোচকরা বলছেন, এই ভিডিও শেয়ার করার উদ্দেশ্য হলো ভয় সৃষ্টি করা এবং অভিবাসীবিরোধী মনোভাব উসকে দেওয়া। আমেরিকান অভিবাসন পরিষদ-এর অ্যারন রাইখলিন-মেলনিক বলেন, এটি জনমনে আতঙ্ক তৈরি করার একটি কৌশল।

৪০ বছর বয়সী জোয়াচিনকে হত্যাকাণ্ডের দিনই গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে হত্যা, ভাঙচুর ও সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার একদিন আগে তিনি এটিএম থেকে টাকা তুলতে না পেরে দোকানকর্মীর কাছে অর্থ দাবি করেছিলেন।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]