রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ী পৌর এলাকায় খাদ্যে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯এপ্রিল) দিনব্যাপী এই অভিযানে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও পৌর স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস।মেসার্স মনিরুল স্টোরে (কসাইপাড়া, সিএন্ডবি মোড়) মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী মজুত রাখার দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এবং মোশাররফ মিষ্টান্ন ভান্ডার (ডাইংপাড়া মোড়) অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত করার অপরাধে এই মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তথা প্রসিকিউশন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গোদাগাড়ী পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও ফুড সেফটি ইন্সপেক্টর সেমাজুল হক। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অভিযানে সহায়তায় নিয়োজিত ছিল রাজশাহী জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল।
এবিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস বলেন, জনস্বার্থে খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।
অভিযান শেষে জব্দকৃত মেয়াদোত্তীর্ণ মালামাল ধ্বংস করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দেওয়া হয়। জনস্বার্থে এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
বৃহস্পতিবার (৯এপ্রিল) দিনব্যাপী এই অভিযানে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও পৌর স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস।মেসার্স মনিরুল স্টোরে (কসাইপাড়া, সিএন্ডবি মোড়) মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী মজুত রাখার দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এবং মোশাররফ মিষ্টান্ন ভান্ডার (ডাইংপাড়া মোড়) অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত করার অপরাধে এই মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তথা প্রসিকিউশন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গোদাগাড়ী পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও ফুড সেফটি ইন্সপেক্টর সেমাজুল হক। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অভিযানে সহায়তায় নিয়োজিত ছিল রাজশাহী জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল।
এবিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস বলেন, জনস্বার্থে খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।
অভিযান শেষে জব্দকৃত মেয়াদোত্তীর্ণ মালামাল ধ্বংস করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দেওয়া হয়। জনস্বার্থে এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।