সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের গোন্তা গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে দুদিন ধরে অনশন করছেন সাদিয়া খাতুন (১৯) নামের এক তরুণ। এ ঘটনায় প্রেমিকের পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, গোন্তা গ্রামের বাসিন্দা জামাল হোসেনের ছেলে মো. রাকিব হোসেন (২১)-এর সঙ্গে প্রতিবেশী আলতাফ হোসেনের মেয়ে সাদিয়া খাতুনের কিশোর বয়স থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।
জানা গেছে, সাদিয়া খাতুন প্রায় তিন বছর ধরে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত। সম্প্রতি রাকিবের পরিবার অন্যত্র তার বিয়ে ঠিক করলে বিষয়টি জানতে পেরে বুধবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন সাদিয়া। পরে একই দিন বিকেল থেকে তিনি প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন।
সাদিয়ার অনশন শুরুর পর থেকেই রাকিবের বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অনশনরত সাদিয়া খাতুন বলেন, “রাকিবের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের গভীর সম্পর্ক। সে আমাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করা ছাড়া আমার আর কোনো পথ থাকবে না।
অন্যদিকে, সাদিয়ার মা শিল্পী খাতুন বলেন, “আমার মেয়ের সঙ্গে রাকিবের বিয়ে কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে ডেকে এনে সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছে।
স্থানীয়রা জানান, গোন্তা গ্রামের বাসিন্দা জামাল হোসেনের ছেলে মো. রাকিব হোসেন (২১)-এর সঙ্গে প্রতিবেশী আলতাফ হোসেনের মেয়ে সাদিয়া খাতুনের কিশোর বয়স থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।
জানা গেছে, সাদিয়া খাতুন প্রায় তিন বছর ধরে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত। সম্প্রতি রাকিবের পরিবার অন্যত্র তার বিয়ে ঠিক করলে বিষয়টি জানতে পেরে বুধবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন সাদিয়া। পরে একই দিন বিকেল থেকে তিনি প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন।
সাদিয়ার অনশন শুরুর পর থেকেই রাকিবের বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অনশনরত সাদিয়া খাতুন বলেন, “রাকিবের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের গভীর সম্পর্ক। সে আমাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করা ছাড়া আমার আর কোনো পথ থাকবে না।
অন্যদিকে, সাদিয়ার মা শিল্পী খাতুন বলেন, “আমার মেয়ের সঙ্গে রাকিবের বিয়ে কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে ডেকে এনে সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছে।