যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা পেরোবার আগেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। ইরান অভিযোগ তুলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে। একইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, চুক্তি না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দাবি করেছেন, ১০ দফা শর্ত নিয়ে আলোচনার কথা থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই তিনটি শর্ত মানেনি। তার অভিযোগ, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই শর্ত ভেঙে ফেলা হয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান এখনও নজরবন্দি রয়েছে এবং এখনই সেনা প্রত্যাহারের কোনও পরিকল্পনা নেই। তিনি সতর্ক করে বলেন, দু’পক্ষ যদি প্রকৃত চুক্তিতে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আরও চরম ও ভয়াবহ সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হবে।”
নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, বিমান ও সেনা সদস্যরা অতিরিক্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ইরান এবং তার আশেপাশে মোতায়েন থাকবে। চুক্তি বাস্তবায়িত না হলে শত্রুকে দমন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা শর্তে রয়েছে, ভবিষ্যতে হামলা না চালানোর নিশ্চয়তা, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার স্বীকৃতি, সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থায় গৃহীত প্রস্তাব বাতিল, যুদ্ধক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং পশ্চিম এশিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার।
পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে লেবাননে নতুন হামলা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, গত রাতে ইজরায়েল মাত্র ১০ মিনিটে ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, এ হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ৮০০-র বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও এ ধরনের হামলা এবং পারস্পরিক অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে। মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা এখনো কাটেনি।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দাবি করেছেন, ১০ দফা শর্ত নিয়ে আলোচনার কথা থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই তিনটি শর্ত মানেনি। তার অভিযোগ, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই শর্ত ভেঙে ফেলা হয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান এখনও নজরবন্দি রয়েছে এবং এখনই সেনা প্রত্যাহারের কোনও পরিকল্পনা নেই। তিনি সতর্ক করে বলেন, দু’পক্ষ যদি প্রকৃত চুক্তিতে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আরও চরম ও ভয়াবহ সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হবে।”
নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, বিমান ও সেনা সদস্যরা অতিরিক্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ইরান এবং তার আশেপাশে মোতায়েন থাকবে। চুক্তি বাস্তবায়িত না হলে শত্রুকে দমন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা শর্তে রয়েছে, ভবিষ্যতে হামলা না চালানোর নিশ্চয়তা, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার স্বীকৃতি, সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থায় গৃহীত প্রস্তাব বাতিল, যুদ্ধক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং পশ্চিম এশিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার।
পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে লেবাননে নতুন হামলা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, গত রাতে ইজরায়েল মাত্র ১০ মিনিটে ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, এ হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ৮০০-র বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও এ ধরনের হামলা এবং পারস্পরিক অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে। মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা এখনো কাটেনি।