মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভেঙে পড়ার মুখে যুদ্ধবিরতি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সদ্য ঘোষিত সমঝোতা কার্যত টলমল অবস্থায়, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে ফের শুরু হয়েছে সংঘর্ষ, আর তেহরান আবার বন্ধ করে দিয়েছে হরমুজ প্রণালী। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ফের অগ্নিগর্ভ।
চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া। কিন্তু গত কয়েক ঘণ্টায় চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। ইরানের সেনা জানায়, লেবাননে ইজরায়েলের লাগাতার হামলার জবাব হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবানন কেন এত বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠল?
তথ্য বলছে, ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বৃহস্পতিবার হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় এয়ারস্ট্রাইক চালায়। শুধু বুধবারেই লেবাননে প্রায় ১৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত ৮০০-রও বেশি। বেইরুট, দক্ষিণ লেবানন ও বেকা ভ্যালিতে ১০ মিনিটে ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে খবর। ইজরায়েলের দাবি, হিজবুল্লাহ সাধারণ মানুষের এলাকা থেকেই কার্যকলাপ চালায়—যদিও স্থানীয়দের একাংশ এই অভিযোগ মানতে নারাজ।
এদিকে, ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, লেবাননের ওপর হামলা বন্ধ করাও তাদের ১০ দফা প্রস্তাবের অংশ ছিল। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করছেন, লেবানন যুদ্ধ থামানো যুদ্ধবিরতির শর্তের মধ্যেই পড়ে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সেই দাবি খারিজ করেছেন।
মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ অবশ্য প্রথম থেকেই বলেছিলেন, যুদ্ধবিরতি “সব জায়গায়” প্রযোজ্য। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।
অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালী কার্যত স্তব্ধ। বুধবার মাত্র ১১টি জাহাজ ওই পথ দিয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবারও একাধিক জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি ইরান প্রতি ব্যারেল তেলে ১ ডলার পর্যন্ত টোল চাপাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এতে বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যে বড় ধাক্কার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সব মিলিয়ে, যুদ্ধবিরতি কার্যত ভাঙনের মুখে। এখন নজর পাকিস্তানে ১১ এপ্রিলের বৈঠকের দিকে, সেখানে আদৌ সমাধান মিলবে, না কি সংঘাত আরও বাড়বে, সেটাই দেখার।
চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া। কিন্তু গত কয়েক ঘণ্টায় চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। ইরানের সেনা জানায়, লেবাননে ইজরায়েলের লাগাতার হামলার জবাব হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবানন কেন এত বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠল?
তথ্য বলছে, ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বৃহস্পতিবার হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় এয়ারস্ট্রাইক চালায়। শুধু বুধবারেই লেবাননে প্রায় ১৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত ৮০০-রও বেশি। বেইরুট, দক্ষিণ লেবানন ও বেকা ভ্যালিতে ১০ মিনিটে ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে খবর। ইজরায়েলের দাবি, হিজবুল্লাহ সাধারণ মানুষের এলাকা থেকেই কার্যকলাপ চালায়—যদিও স্থানীয়দের একাংশ এই অভিযোগ মানতে নারাজ।
এদিকে, ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, লেবাননের ওপর হামলা বন্ধ করাও তাদের ১০ দফা প্রস্তাবের অংশ ছিল। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করছেন, লেবানন যুদ্ধ থামানো যুদ্ধবিরতির শর্তের মধ্যেই পড়ে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সেই দাবি খারিজ করেছেন।
মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ অবশ্য প্রথম থেকেই বলেছিলেন, যুদ্ধবিরতি “সব জায়গায়” প্রযোজ্য। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।
অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালী কার্যত স্তব্ধ। বুধবার মাত্র ১১টি জাহাজ ওই পথ দিয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবারও একাধিক জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি ইরান প্রতি ব্যারেল তেলে ১ ডলার পর্যন্ত টোল চাপাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এতে বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যে বড় ধাক্কার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সব মিলিয়ে, যুদ্ধবিরতি কার্যত ভাঙনের মুখে। এখন নজর পাকিস্তানে ১১ এপ্রিলের বৈঠকের দিকে, সেখানে আদৌ সমাধান মিলবে, না কি সংঘাত আরও বাড়বে, সেটাই দেখার।