বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরণ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির বলেছেন, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, সাইবার ক্রাইম ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি| প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে নিজেকে সবসময় আধুনিক ও আপডেট রাখতে হবে।
বুধবার সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪১তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ২০২৫ ব্যাচের ২০৯ জন প্রশিক্ষণার্থীর মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ ও কঠোর প্রশিক্ষণ তাদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা ও ˆনতিক মূল্যবোধকে সমৃদ্ধ করেছে| সামনে যে পথ উম্মুক্ত হচ্ছে তা যেমন সম্মানের, তেমনি দায়িত্বপূর্ণ| জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হবে তাদের প্রধান দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাই বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি| তাই সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতা দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়াও নবীন কর্মকর্তাদের ˆনতিক কর্তব্য।
আইজিপি বলেন, পুলিশ পেশা শুধু চাকরি নয়, এটি একটি সেবামূলক দায়িত্ব| সেবাই ধর্ম এই মূলমন্ত্র ধারণ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদে সহায়তা করা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার আদর্শে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবীন কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন এবং পুলিশের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জি এম আজিজুর রহমান, অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা। প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পুলিশ সুপার শুভ কুমার ঘোষ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী এসআইদের অভিভাবকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি অভিবাদন গ্রহণ ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী এসআইদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
বুধবার সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪১তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ২০২৫ ব্যাচের ২০৯ জন প্রশিক্ষণার্থীর মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ ও কঠোর প্রশিক্ষণ তাদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা ও ˆনতিক মূল্যবোধকে সমৃদ্ধ করেছে| সামনে যে পথ উম্মুক্ত হচ্ছে তা যেমন সম্মানের, তেমনি দায়িত্বপূর্ণ| জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হবে তাদের প্রধান দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাই বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি| তাই সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতা দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়াও নবীন কর্মকর্তাদের ˆনতিক কর্তব্য।
আইজিপি বলেন, পুলিশ পেশা শুধু চাকরি নয়, এটি একটি সেবামূলক দায়িত্ব| সেবাই ধর্ম এই মূলমন্ত্র ধারণ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদে সহায়তা করা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার আদর্শে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবীন কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন এবং পুলিশের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জি এম আজিজুর রহমান, অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা। প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পুলিশ সুপার শুভ কুমার ঘোষ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী এসআইদের অভিভাবকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি অভিবাদন গ্রহণ ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী এসআইদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।