রাজশাহী জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী (ঈশা)-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে রাজশাহী কাজলা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল নাহার আভা, জুনিয়র শিক্ষক মতিউর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
এ সময় প্রশাসক বলেন, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের প্রতি সহমর্মিতা নয়, প্রয়োজন সমান অধিকার, মর্যাদা ও ভালোবাসা।
তিনি বলেন, “আমাদের দায়িত্ব হলো তাদের পাশে থাকা, তাদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং সমাজের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করা। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করা হলে তারাও নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “রাজশাহী জেলা পরিষদ সবসময় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক ব্যক্তিদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি আরও সচেতন ও সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সকলকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল নাহার আভা, জুনিয়র শিক্ষক মতিউর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
এ সময় প্রশাসক বলেন, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের প্রতি সহমর্মিতা নয়, প্রয়োজন সমান অধিকার, মর্যাদা ও ভালোবাসা।
তিনি বলেন, “আমাদের দায়িত্ব হলো তাদের পাশে থাকা, তাদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং সমাজের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করা। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করা হলে তারাও নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “রাজশাহী জেলা পরিষদ সবসময় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক ব্যক্তিদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি আরও সচেতন ও সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সকলকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন।