রাজশাহী মহানগরীতে ভুয়া গোয়েন্দা সংস্থা পরিচয়ে প্রতারণা ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি (কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) ও ডিবি (ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ) পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত মো. শাহিনুর ইসলাম (৩০) নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার ভরট্ট শিবনগর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর এলাকায় বক্ষব্যাধি (আইডি) হাসপাতালের সামনে পুকুরপাড়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় এক ব্যক্তি নিজেকে ডিজিএফআই (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স)-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (এডি) পরিচয় দিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে অসদাচরণ ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছিলেন।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি একটি পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে নিজের দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। তবে তার কথাবার্তায় অসংগতি ধরা পড়ায় তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে একপর্যায়ে তিনি ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তল্লাশিতে তার কাছ থেকে দুটি ভুয়া পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। এর একটিতে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর, ডিজিএফআই’ এবং অন্যটিতে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার, ডিজিএফআই’ উল্লেখ ছিল। এছাড়া তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রতারণা করে আসছিলেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে তা নিজের মোবাইলে সংরক্ষণ করতেন। জব্দকৃত মোবাইল ফোনে একাধিক নারীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় রাজপাড়া থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা, সাইবার অপরাধ ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেপ্তারকৃত মো. শাহিনুর ইসলাম (৩০) নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার ভরট্ট শিবনগর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর এলাকায় বক্ষব্যাধি (আইডি) হাসপাতালের সামনে পুকুরপাড়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় এক ব্যক্তি নিজেকে ডিজিএফআই (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স)-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (এডি) পরিচয় দিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে অসদাচরণ ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছিলেন।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি একটি পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে নিজের দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। তবে তার কথাবার্তায় অসংগতি ধরা পড়ায় তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে একপর্যায়ে তিনি ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তল্লাশিতে তার কাছ থেকে দুটি ভুয়া পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। এর একটিতে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর, ডিজিএফআই’ এবং অন্যটিতে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার, ডিজিএফআই’ উল্লেখ ছিল। এছাড়া তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রতারণা করে আসছিলেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে তা নিজের মোবাইলে সংরক্ষণ করতেন। জব্দকৃত মোবাইল ফোনে একাধিক নারীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় রাজপাড়া থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা, সাইবার অপরাধ ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।