মালয়েশিয়া থেকে কাল বুধবার ২৬ হাজার টন অকটেন এবং ২৫ হাজার টন ফার্নেস সহ মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল নিয়ে আসছে দুটি ফুয়েল ট্যাংকার। জ্বালানি তেলের এই বড় চালানগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে আশা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি’র।
বিপিসি’র সহকারী ব্যবস্থাপক গণসংযোগ ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি ফুয়েল ট্যাংকার ২৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে কাল বুধবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
একই দিনে প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের অপর একটি জাহাজও বহির্নোঙরে এসে পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত করেছে বিপিসি কর্তৃপক্ষ। মালয়েশিয়া থেকে মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজই এখন চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখী রয়েছে ।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে তেল ও গ্যাস নিয়ে আসা জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, দেশে তেলের সংকট নেই। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেও জ্বালানি তেলের আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখছে বিপিসি। চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি নতুন উৎস থেকেও এ মাসে তেল পাওয়া যাবে। এর বাইরে চুক্তি অনুযায়ী তেল আসছে।
বিপিসি’র সহকারী ব্যবস্থাপক গণসংযোগ ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি ফুয়েল ট্যাংকার ২৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে কাল বুধবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
একই দিনে প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের অপর একটি জাহাজও বহির্নোঙরে এসে পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত করেছে বিপিসি কর্তৃপক্ষ। মালয়েশিয়া থেকে মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজই এখন চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখী রয়েছে ।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে তেল ও গ্যাস নিয়ে আসা জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, দেশে তেলের সংকট নেই। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেও জ্বালানি তেলের আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখছে বিপিসি। চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি নতুন উৎস থেকেও এ মাসে তেল পাওয়া যাবে। এর বাইরে চুক্তি অনুযায়ী তেল আসছে।