শরীয়তপুর পৌরসভার চরপালং এলাকায় অরক্ষিত একটি সেচ পাম্পের সঙ্গে বোরখা পেঁচিয়ে রোজিনা বেগম (৩৫) নামের এক নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার সকালে শরীয়তপুর পৌরসভার চরপালং কীর্তিনাশা নদীর পাড়সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রোজিনা বেগম চরপালং এলাকার বাসিন্দা ইব্রাহিম সরদারের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে স্থানীয় বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে কীর্তিনাশা নদীর পাড়ে স্থাপিত একটি সেচ পাম্পের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ বাতাসে তার পরিহিত বোরখা পাম্পের ঘূর্ণায়মান যন্ত্রাংশে পেঁচিয়ে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
বোরখা পেঁচিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোজিনা বেগম পাম্পের ভেতরে চলে যান এবং তার শরীরের উপরের অংশ মেশিনের ভেতরে আটকে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
এদিকে, এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
সোমবার সকালে শরীয়তপুর পৌরসভার চরপালং কীর্তিনাশা নদীর পাড়সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রোজিনা বেগম চরপালং এলাকার বাসিন্দা ইব্রাহিম সরদারের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে স্থানীয় বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে কীর্তিনাশা নদীর পাড়ে স্থাপিত একটি সেচ পাম্পের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ বাতাসে তার পরিহিত বোরখা পাম্পের ঘূর্ণায়মান যন্ত্রাংশে পেঁচিয়ে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
বোরখা পেঁচিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোজিনা বেগম পাম্পের ভেতরে চলে যান এবং তার শরীরের উপরের অংশ মেশিনের ভেতরে আটকে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
এদিকে, এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।