বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের পর ধীরে ধীরে বরফ গলছে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কে। এর মাঝেই মরিশাসে ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে যোগ দেয়ার আগে ২ দিনের সফরে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। সঙ্গে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, পরদিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন খলিলুর রহমান ও হুমায়ুন কবির। এছাড়া, দেশটির বাণিজ্য এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।
নির্বাচনের পর ভারতীয়দের জন্য ভিসা কার্যক্রম পুরোদমে চালু হলেও এখনো বাংলাদেশিদের জন্য সব শ্রেণির ভিসা চালু করেনি নয়া দিল্লি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা ইস্যু সমাধান করে স্বাভাবিকের সম্পর্কের দিকে এগোতে হবে দুদেশকে। এছাড়া, জ্বালানি সংকট নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলা অস্থিরতায় দিল্লির কাছে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাব থাকতে পারে ঢাকার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও গবেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ভারত একটা বিশেষ দলের সঙ্গেই সম্পর্ক করছিল। ওই দলের ঘরানার বাইরের কাউকেই তারা গুরুত্ব দিচ্ছিল না। সেই জায়গাটায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা দিল্লি করবে বলে মনে করি।
চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ। দ্রুত এ নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীন ও ভারতের অর্থায়নের প্রস্তাব নিয়ে কৌশলী হতে হবে সরকারকে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বলেন, ‘কয়েক মাস সময় হাতে আছে। আগ্রহের সঙ্গে আমাদের আলোচনায় যেতে হবে। টেকসই সমাধানের দিকে আমাদের এগিয়ে যাওয়া উচিত।’
অন্যদিকে, আসামসহ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর সঙ্গে নিরাপত্তা ইস্যু জোরালভাবে তুলে ধরতে পারে দিল্লি।
এম হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যারা গোলযোগ তৈরি করতে পারে, তাদেরকে কোনো সহায়তা দেয়া হবে না-- এ নিরাপত্তাটা ভারত পেলে তাদের দিক থেকে যে আশঙ্কাটা আছে, সেটা আর থাকবে না।
নতুন বাস্তবতায় পারস্পারিক স্বার্থ বজায় রেখে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, পরদিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন খলিলুর রহমান ও হুমায়ুন কবির। এছাড়া, দেশটির বাণিজ্য এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।
নির্বাচনের পর ভারতীয়দের জন্য ভিসা কার্যক্রম পুরোদমে চালু হলেও এখনো বাংলাদেশিদের জন্য সব শ্রেণির ভিসা চালু করেনি নয়া দিল্লি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা ইস্যু সমাধান করে স্বাভাবিকের সম্পর্কের দিকে এগোতে হবে দুদেশকে। এছাড়া, জ্বালানি সংকট নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলা অস্থিরতায় দিল্লির কাছে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাব থাকতে পারে ঢাকার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও গবেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ভারত একটা বিশেষ দলের সঙ্গেই সম্পর্ক করছিল। ওই দলের ঘরানার বাইরের কাউকেই তারা গুরুত্ব দিচ্ছিল না। সেই জায়গাটায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা দিল্লি করবে বলে মনে করি।
চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ। দ্রুত এ নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীন ও ভারতের অর্থায়নের প্রস্তাব নিয়ে কৌশলী হতে হবে সরকারকে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বলেন, ‘কয়েক মাস সময় হাতে আছে। আগ্রহের সঙ্গে আমাদের আলোচনায় যেতে হবে। টেকসই সমাধানের দিকে আমাদের এগিয়ে যাওয়া উচিত।’
অন্যদিকে, আসামসহ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর সঙ্গে নিরাপত্তা ইস্যু জোরালভাবে তুলে ধরতে পারে দিল্লি।
এম হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যারা গোলযোগ তৈরি করতে পারে, তাদেরকে কোনো সহায়তা দেয়া হবে না-- এ নিরাপত্তাটা ভারত পেলে তাদের দিক থেকে যে আশঙ্কাটা আছে, সেটা আর থাকবে না।
নতুন বাস্তবতায় পারস্পারিক স্বার্থ বজায় রেখে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের।