জাতীয় নির্বাচনের ফল হাইজ্যাক করা হলেও যেকোনো মূল্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাগপার ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠের অহমিকায় বিএনপি ফ্যাসিবাদী আচরণ করছে মন্তব্য করে আমির অভিযোগ করেন, শুধু ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়নি। অভ্যুত্থান পুরো ফ্যাসিবাদী কাঠামোর বিরুদ্ধে ছিল। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল হাইজ্যাক করেছে একটি পক্ষ।
হুঁশিয়ারি দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে গণভোটের রায়কে আমরা আদায় করেই ছাড়ব। এই প্রজন্ম ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সজাগ রয়েছে। তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করবো।’
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, জ্বালানি সংকট ও হাম সংক্রমণ ইস্যু নিয়ে সংসদে কথা বলতে গেলেই আমাদের মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়। আমাদের নোটিশ আলোচনার জন্য উত্থাপন করা হয় না। সরকার বলছে, জ্বালানি সংকট নেই। কিন্তু আমি নিজের গাড়ির জন্যই প্রয়োজন মাফিক তেল পাই না।
‘সংসদে জনগণের ভাগ্য নিয়ে যেন কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেজন্য আমরা লড়াই করে যাবো’, যোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
আলোচনা সভায় বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি যোগ দেন কবি, সাহিত্যিকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
চলমান নানা সংকট ইস্যুতে সরকারের সমালোচনা করেন অনুষ্ঠানে আসা বক্তারা। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বক্তব্য দেন তারা। সংসদে অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট হতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাগপার ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠের অহমিকায় বিএনপি ফ্যাসিবাদী আচরণ করছে মন্তব্য করে আমির অভিযোগ করেন, শুধু ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়নি। অভ্যুত্থান পুরো ফ্যাসিবাদী কাঠামোর বিরুদ্ধে ছিল। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল হাইজ্যাক করেছে একটি পক্ষ।
হুঁশিয়ারি দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে গণভোটের রায়কে আমরা আদায় করেই ছাড়ব। এই প্রজন্ম ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সজাগ রয়েছে। তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করবো।’
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, জ্বালানি সংকট ও হাম সংক্রমণ ইস্যু নিয়ে সংসদে কথা বলতে গেলেই আমাদের মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়। আমাদের নোটিশ আলোচনার জন্য উত্থাপন করা হয় না। সরকার বলছে, জ্বালানি সংকট নেই। কিন্তু আমি নিজের গাড়ির জন্যই প্রয়োজন মাফিক তেল পাই না।
‘সংসদে জনগণের ভাগ্য নিয়ে যেন কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেজন্য আমরা লড়াই করে যাবো’, যোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
আলোচনা সভায় বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি যোগ দেন কবি, সাহিত্যিকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
চলমান নানা সংকট ইস্যুতে সরকারের সমালোচনা করেন অনুষ্ঠানে আসা বক্তারা। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বক্তব্য দেন তারা। সংসদে অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট হতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।